|
হাম -চিকেন পক্সে ভুগছে শিশু? খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() হাম -চিকেন পক্সে ভুগছে শিশু? খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার হাম বা পক্স হলে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি ও তরল বেরিয়ে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। ভাইরাসের প্রকোপে শিশুর শরীরে ভিটামিন এ, সি, জিঙ্ক ও প্রোটিনের প্রবল ঘাটতিও দেখা দিতে পারে। এর ফলে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও অনেকটা কমে যায়। এই সময়ে ঘন ঘন জ্বর আর সারা গায়ে অস্বস্তিকর র্যাশ বের হলে শিশু ভীষণ দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই শিশুকে শুধু ফলের রস না খাইয়ে মৌসুমি সবজি দিয়ে তৈরি পুষ্টিকর স্যুপ খাওয়ানো যেতে পারে। সোনা মুগ ডাল, গাজর ও পেঁপে সেদ্ধ করে তাতে সামান্য ঘি মিশিয়ে দিলে শরীরে প্রোটিনের চাহিদা মেটাবে। শরীরে ভিটামিন সি-র চাহিদা পূরণে শিশুকে নিয়মিত কমলালেবু, মুসাম্বির রস কিংবা পেয়ারা খাওয়ানো প্রয়োজন। ভিটামিন এ-র ঘাটতি মেটাতে এবং চোখের সংক্রমণ কমাতে খাদ্যতালিকায় গাজর, মিষ্টি কুমড়ো, পাকা পেঁপে ও পালং শাকের মতো খাবার রাখতে পারেন। অসুখের সময়ে অরুচি হতে পারে। এ সময় জোর করে ভাত না খাইয়ে পাতলা করে দুধ-সুজি কিংবা সাবুদানার খিচুড়ি রান্না করে দিতে পারেন। ওট্স বা সবজি দিয়ে ডালিয়াও এই সময়ে শিশুদের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে। দুপুরের দিকে ভাত আর ডাল-সবজি খাওয়ালে বিকেল বা সন্ধ্যায় আম বা আপেল সেদ্ধ চটকে দিতে পারেন। শিশু যদি দুধ খেতে না চায় কিংবা তার দুধে অ্যালার্জি থাকে তাহলে বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন ধরনের বাদাম খাওয়ানো যেতে পারে। আখরোট, কাঠবাদাম কিংবা কাজু বাদাম শিশুর শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব মেটাতে সাহায্য করে। এই বাদামগুলো শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্যও অত্যন্ত কার্যকর। শিশুর খাবারে প্রোটিন নিশ্চিত করতে ছোট মাছ কিংবা জ্যান্ত জিওল মাছ খাওয়ানো ভালো। শিং বা মাগুর মাছ থেকে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যাবে, সেই সঙ্গে তার শরীরের দুর্বলতাও দ্রুত কেটে যাবে। মনে রাখবেন, মাছ, মাংস কিংবা ডিম—সব কিছু শিশুকে একদিনে দেয়া যাবে না। খাবারের তালিকায় বৈচিত্র্য আনতে এগুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দিন । চিকেন দিলে তা স্টু হিসেবে খাওয়ানোই সব থেকে স্বাস্থ্যকর হবে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
