|
বারবার মাথাব্যথা? ওষুধ নয়, অভ্যাসেই নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে মাথাব্যথা
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() বারবার মাথাব্যথা? ওষুধ নয়, অভ্যাসেই নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে মাথাব্যথা তবে সুসংবাদ হল, কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললেই এই সমস্যাকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ঘুম: সুস্থতার প্রথম শর্ত মাথাব্যথার অন্যতম বড় কারণ হল ঘুমের অভাব। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মস্তিষ্ক ঠিকভাবে বিশ্রাম পায় না, ফলে মাথাব্যথা বাড়তে থাকে। নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমোতে যাওয়া এবং অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে স্ক্রিন টাইম কমানোও গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করলে চোখের উপর চাপ পড়ে, যা মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। তাই মাঝেমধ্যে বিরতি নেওয়া, চোখের ব্যায়াম করা—এই ছোট অভ্যাসগুলি বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। খাবার ও পানীয়: শরীরের জ্বালানি দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকলে বা অনিয়মিতভাবে খাবার খেলে মাইগ্রেন-এর সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। তাই সময়মতো এবং সুষম খাবার খাওয়া জরুরি। পাশাপাশি শরীরে পানির ঘাটতি বা ডিহাইড্রেশনও মাথাব্যথার অন্যতম কারণ। বিশেষ করে গরমে শরীর দ্রুত জলশূন্য হয়ে পড়ে। তাই সারাদিনে পর্যাপ্ত পানি পান করা প্রয়োজন, যাতে শরীর ও মস্তিষ্ক দুটোই সতেজ থাকে। মানসিক চাপ: অদৃশ্য শত্রু স্ট্রেস বা মানসিক চাপ মাথাব্যথার অন্যতম প্রধান ট্রিগার। কাজের চাপ, ব্যক্তিগত সমস্যা বা উদ্বেগ—সবই এর পেছনে ভূমিকা রাখে। এই চাপ কমাতে নিয়মিত যোগব্যায়াম, মেডিটেশন বা হালকা শরীরচর্চা অত্যন্ত কার্যকর। এগুলি শুধু মনকেই শান্ত করে না, বরং শরীরের ভেতরের টানাপোড়েনও কমিয়ে দেয়, ফলে মাথাব্যথার প্রবণতা হ্রাস পায়। ট্রিগার চিহ্নিত করা: ব্যক্তিগত সচেতনতা প্রত্যেক মানুষের শরীর আলাদা, তাই মাথাব্যথার কারণও আলাদা হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট খাবার বা গন্ধ মাইগ্রেন ট্রিগার করে। যেমন—অতিরিক্ত কফি, চকোলেট বা ঝাল খাবার অনেকের জন্য সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা এবং সম্ভাব্য ট্রিগারগুলি চিহ্নিত করা অত্যন্ত জরুরি। একবার কারণ বুঝে গেলে তা এড়িয়ে চলাই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান। মাথাব্যথা বা মাইগ্রেন পুরোপুরি নির্মূল করা সবসময় সম্ভব না হলেও, তা নিয়ন্ত্রণে রাখা অবশ্যই সম্ভব। নিয়মিত জীবনযাপন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম—এই তিনটি বিষয় মেনে চললেই অনেকটাই উপশম পাওয়া যায়। প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে বড় পরিবর্তন আনে। তাই শরীরের সংকেতকে গুরুত্ব দিন, আর নিজের যত্ন নেওয়াকেই করুন অগ্রাধিকার। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
