|
ওজন অনুযায়ী প্রোটিন গ্রহণ কতটা জরুরী? জেনে নিন কীভাবে সাজাবেন ডায়েট প্ল্যান
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() ওজন অনুযায়ী প্রোটিন গ্রহণ কতটা জরুরী? জেনে নিন কীভাবে সাজাবেন ডায়েট প্ল্যান পুষ্টিবিদদের মতে, সমস্যা কেবল অতিরিক্ত ক্যালোরি নয়; বরং বড় অংশের মানুষের শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি রয়েছে। অথচ পেশি গঠন, হরমোনের ভারসাম্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা—সব ক্ষেত্রেই প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই শুধু কম খাওয়ার দিকে নয়, কী খাচ্ছেন এবং কতটা খাচ্ছেন, সেটাই এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য সাধারণভাবে প্রতি কেজি ওজনে প্রায় ০.৮ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন। তবে যাঁরা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন বা কায়িক পরিশ্রম বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ বেড়ে ১.৩ থেকে ১.৬ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। অর্থাৎ, ৬০ কেজি ওজনের একজন মানুষের দৈনিক প্রায় ৪৮ থেকে ৯৬ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন হতে পারে, তাঁর জীবনযাত্রার উপর নির্ভর করে। ![]() ওজন অনুযায়ী প্রোটিন গ্রহণ কতটা জরুরী? জেনে নিন কীভাবে সাজাবেন ডায়েট প্ল্যান দিনের শুরুটা হতে পারে পুষ্টিকর ব্রেকফাস্ট দিয়ে। দুধ বা দইয়ের সঙ্গে ওটস মিশিয়ে তার সঙ্গে মধু, চিয়া সিডস এবং আমন্ড যোগ করলে সহজেই ২০–২৫ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া সম্ভব। এটি শুধু পুষ্টিকরই নয়, দীর্ঘ সময় পেট ভরেও রাখে। দুপুরের খাবারে ভাত, ডাল, সবজি—এই পরিচিত মেনুকেই একটু সাজিয়ে নিলেই প্রোটিন বাড়ানো যায়। যেমন, ১০০ গ্রাম পনির, ১৫০ গ্রাম ডাল এবং এক বাটি দই যোগ করলে প্রায় ২৫–২৭ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। যদি আমিষ খান, তবে ১২০–১৫০ গ্রাম চিকেন বা মাছ যোগ করলে প্রোটিনের পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। বিকেলের দিকে অনেকেই চা-বিস্কুটে ভরসা রাখেন, কিন্তু এটি শরীরের খুব একটা উপকার করে না। তার বদলে প্রোটিন শেক, ভাজা ছোলা, মাখানা বা অল্প পনির খেতে পারেন। এতে প্রায় ১৫–২০ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া সম্ভব এবং অপ্রয়োজনীয় ক্ষুধাও কমে। রাতের খাবার হালকা হলেও পুষ্টিকর হওয়া জরুরি। আটার রুটি, ডাল, পনিরের তরকারি বা চিকেন—এসব দিয়ে সহজেই একটি ভারসাম্যপূর্ণ ডিনার তৈরি করা যায়। এতে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়, আবার হজমও সহজ হয়। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার—প্রতিদিন একই খাবার খাওয়া যেমন একঘেয়ে, তেমনই পুষ্টির ক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতা তৈরি করে। তাই খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য আনা জরুরি। ওটস, কিনোয়া, ডালিয়া, বিভিন্ন ধরনের ডাল, ডিম, মাছ, মাংস—এসব ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলে শরীর সব ধরনের প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড পায়। সবশেষে, ডায়েট মানে শুধু ওজন কমানো নয়—বরং শরীরকে সঠিকভাবে পুষ্ট রাখা। নিজের ওজন, জীবনযাত্রা এবং শারীরিক প্রয়োজন অনুযায়ী প্রোটিনের পরিমাণ ঠিক করাই সুস্থ থাকার চাবিকাঠি। ছোট ছোট পরিবর্তনই দীর্ঘমেয়াদে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
ভূরুঙ্গামারীতে চেয়ারম্যান প্রার্থীর বাড়িতে লুটপাট-অগ্নিসংযোগ, অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি
বাগমারায় ভবানীগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিক্ষোভ
বাঘাইছড়িতে দমকা হাওয়ায় গাছ পালা ভেঙ্গে জনদুর্ভোগ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় যান চলাচল স্বাভাবিক
কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে ভাই-বোনদের বিরোধ: ধান কাটতে বাধা, থানায় অভিযোগ
