|
সেহেরির সময় টার্গেট ছদ্মবেশে ঈদগাঁওতে সশস্ত্র ডাকাতি
আজিজুর রহমান রাজু: ঈদগাঁও কক্সবাজার
|
![]() সেহেরির সময় টার্গেট ছদ্মবেশে ঈদগাঁওতে সশস্ত্র ডাকাতি ভোক্তভোগী নুরুল ইসলাম জানান, সেহেরি শেষে ফজরের নামাজের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। এ সময় তার ছেলে নামাজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হলে, ডাকাতরা তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে আলমারিতে থাকা নগদ ৬ লাখ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণালংকার এবং মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। একই সময়ে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ভুতিয়া পাড়া এলাকায় বাজার ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন এর বাড়িতেও ডাকাতির ঘটনা ঘটে। সেখান থেকে দুটি স্মার্টফোন এবং নগদ অর্থ লুট করা হয়। এই বিষশে ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ এটিএম শিফাতুল মজুমদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এর আগে একই এলাকায় ১ মার্চ রাতে কালির তেতুলতলী ব্রিজ সংলগ্ন ৪নং ওয়ার্ডে ড্রাইভার বাদশাহ মিয়ার বাড়িতেও ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসময় নগদ টাকা, মোবাইল এবং চার ভরি স্বর্ণালংকার লুট হয়। চক্রটি জেলার বিভিন্ন স্থানে একই ভাবে তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে (২৮ ফেব্রুয়ারি) চকরিয়ার ডুলাহাজারা ইউনিয়ন এর ডাকবাংলা পাড়া এলাকায় আব্দুল মাজেদ এর বাড়িতেও সশস্ত্র ডাকাতির ঘটনা ঘটে। চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। সদরের চৌফদন্ডী ইউনিয়নেও একই চক্রের হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনজুর আলম নিশ্চিত করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সাদা রঙের একটি প্রাইভেটকারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছদ্মবেশে ৫-৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র জেলার বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি চালাচ্ছে। তাদের কাছে দেশি-বিদেশি অস্ত্র রয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এই চক্রের সব সদস্যকে গ্রেপ্তার করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
