|
তাড়াশে প্রকাশ্য কারেন্ট জাল বিক্রি
সাব্বির মির্জা, ( তাড়াশ )
|
![]() তাড়াশে প্রকাশ্য কারেন্ট জাল বিক্রি বর্ষা মৌসুম এলে চলনবিলের সব খাল, নদী ও বিল ভরে যায়। ধীরে ধীরে পুরো চলনবিলের মাঠ, ঘাট প্রান্তর বানের পানিতে থৈ থৈ করে। পানির সঙ্গে সঙ্গে বোয়াল, শোল, গোচি, শিং, টেংরা, পুটি, মলা, চেলা, ঢেলাসহ দেশীয় প্রজাতির সব মাছের প্রজনন শুরু হয়। ঠিক সেই মুহূর্তে অসাধু মৎস্যজীবীরা এসব ডিমওয়ালা মা মাছ ও পোনা মাঝ নিধন করে যাচ্ছে। ফলে মাছ শিকারিরা কারেন্ট ও চায়না দুয়ারি জাল কেনার জন্য হাট বাজারে ভিড় করছেন। উপজেলা মৎস্য অফিস জানায়, ২০০২ সালে দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় সরকার মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন করে। ওই আইনের একটি ধারায় বলা আছে কোনো ব্যক্তি কারেন্ট জালের উৎপাদন, বুনন, আমদানি, বাজারজাতকরণ, সংরক্ষণ, বহন ও ব্যবহার করতে পারবেন না। আইন ভঙ্গ করলে জেল-জরিমানার বিধানও রাখা হয়েছে। অপরদিকে, মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালায় ৪ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার বা তার কম দৈর্ঘ্যের ফাঁস ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এদিকে, খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই সিরাজগঞ্জের তাড়াশে উপজেলার নওগাঁ হাট এলাকায় প্রকাশ্যে বিক্রি করা হচ্ছে অবৈধ কারেন্টজাল ও চায়না দুয়ারি জাল। তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ, কুন্দইল, ধামাইচ, গুল্টা,বারুহাস হাটে এসব জাল বিক্রি হতে দেখা গেছে। এসব ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ লুকিয়ে লুকিয়ে জাল বিক্রি করে যাচ্ছেন। এব্যাপারে তাড়াশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো মশগুল আজাদ জানান, প্রায়ই অভিযান পরিচালনা করাহয়। অবৈধ কারেন্টজাল বিক্রিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুনরাত জাহান জানান, অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবসায়ী ও বিক্রি কারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
