ঘন, ফুরফুরে, টানা টানা ল্যাশের যে আলাদা গ্ল্যামার রয়েছে, সে কথা কিন্তু কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। ছবি: রফিকুল ইসলাম র্যাফ। মেকআপ: অরা বিউটি লাউঞ্জঘন, ফুরফুরে, টানা টানা ল্যাশের যে আলাদা গ্ল্যামার রয়েছে, সে কথা কিন্তু কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। ছবি: রফিকুল ইসলাম র্যাফ। মেকআপ: অরা বিউটি লাউঞ্জ
চোখের আবেদন বাড়াতে ফলস আইল্যাশের তুলনা নেই। তবে ফলস ল্যাশ বাছা এবং পরার কাজটা ঠিকভাবে করতে হবে। কিভাবে পরবেন, জেনে নিন।
আইশ্যাডো, লাইনার, মাসকারা সব ঠিকঠাক। তাও যেন চোখ দুটি ফিকে দেখাচ্ছে! এই সমস্যার একমাত্র সমাধান করতে পারে ফলস আইল্যাশ। ঘন, ফুরফুরে, টানা টানা ল্যাশের যে আলাদা গ্ল্যামার রয়েছে, সে কথা কিন্তু কেউ অস্বীকার করতে পারবে না।
মনে রাখবেন, ল্যাশ যত হালকা হবে, ততই তা ন্যাচারাল লাগবে। সিন্থেটিক ল্যাশের তুলনায় মিঙ্ক ল্যাশ অনেক বেশি ন্যাচারাল দেখায়। কোন ধরনের আঠা ব্যবহার করছেন, সেটাও জরুরি। আঠা যেন শুকিয়ে ট্রান্সপ্যারেন্ট হয়ে যায়, সেটাও দেখতে হবে। ল্যাশব্যান্ডও ক্লিয়ার হলে ভালো, এতে ল্যাশ ফেক না আসল, তা চট করে বোঝা যাবে না। যেহেতু চোখের বিষয়, তাই খুব নিম্নমানের আঠা বা ল্যাশ ব্যবহার করবেন না। ল্যাশ অ্যাপ্লাই করার ক্ষেত্রেও কয়েকটা ছোট্ট টিপস মাথায় রাখুন। এতে ফলস ল্যাশ দীর্ঘক্ষণ সঠিক জায়গায় থাকবে।
false eyelashল্যাশ যত হালকা হবে, ততই তা ন্যাচারাল লাগবে
চোখের দৈর্ঘ্য মতো ল্যাশ কেটে ল্যাশব্যান্ড বরাবর ক্লিয়ার গ্লু লাগিয়ে ২০-৩০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। এবার চোখের উপরের পাতায় ল্যাশলাইন ঘেঁষে তা বসিয়ে দিন। দেখবেন যেন মাঝে স্কিন না দেখা যায়। ল্যাশব্যান্ড ঢাকার জন্য ম্যাট লাইনার দিয়ে সরু করে লাইন টেনে নিন। লাইনার পরতে না চাইলেও এই স্টেপ জরুরি। মিনিটখানেক অপেক্ষা করে মাসকারা দিয়ে আইল্যাশ কোট করে নিন, যাতে আসল ল্যাশের সঙ্গে তা মিশে যায়। যদি কেউ পুরো ল্যাশলাইন জুড়ে ফলস ল্যাশ লাগাতে না চান, সেক্ষেত্রে ফেক ল্যাশ ছোট ছোট টুকরায় কেটেও পছন্দমতো লাগাতে পারেন।