ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ৬ জুন ২০২৬ ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ভাইয়া ও আন্টি মাকে ধরে রাখে আর বাবা বটি দিয়ে জবাই করে’
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Monday, 6 May, 2019, 9:37 AM

ভাইয়া ও আন্টি মাকে ধরে রাখে আর বাবা বটি দিয়ে জবাই করে’

ভাইয়া ও আন্টি মাকে ধরে রাখে আর বাবা বটি দিয়ে জবাই করে’

‘মাকে জোর করে বাথরুমে নিয়ে যায় বাবা আর রনি ভাইয়া ও মীমের আম্মু আন্টি। ভাইয়া আর আন্টি মাকে জোর করে ধরে রাখে আর বটি দিয়ে বাবা মাকে জবাই করে। পরে আমাকে ধমকিয়ে ‘চুপ’ থাকার কথা বলেন বাবা।’ এভাবেই মা জান্নাতুল ফেরদৌস উর্মি হত্যার দৃশ্য বর্ণনা করলো তার ৭ বছরের শিশু অনিম। সে ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী। সেসময় তার বয়স ছিলো চার।

রোববার (৫ মে) দুপুরের দিকে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওই কথা জানায় অনিম। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলো তার নানা মো. খোকন এবং নানী নূর আক্তার। তারা নগরীর ১৫৩ নম্বর খানপুর মেইন রোড এলাকার বাসিন্দা।



এদিকে সাংবাদিক সম্মেলনে একমাত্র জাতীয় পত্রিকা ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়াকর্মীদের জন্যই করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলন পূর্বে জানিয়েছে প্রেসক্লাব সংশ্লিষ্টরা এবং আয়োজনকারী নূর আক্তার। তবে, এরপরও মুখ চেনা দুই তিনজন স্থানীয় সংবাদকর্মীদেরকে প্রেসক্লাব থেকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে এবং তারাই উপস্থিত থাকতে পেরেছিলো ওই সংবাদ সম্মেলনে। প্রেসক্লাবের এমন ঘটনায় অন্যান্যদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়।

আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিহতের মা নূর আক্তার দাবি করেন, তার মেয়ের হত্যাকারি আজগর আলী জামিনের জন্য উচ্চ আদালতে প্রার্থনা করলেও তা না মঞ্জুর করে দেন আদালত। কিন্তু আজগর আলী কৌশল অবলম্বন করে নিম্ন আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে আসে। বর্তমানে আমরা আমাদের নাতি অনিমের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছি।

সংবাদ সম্মেলনে নূর আক্তার দাবি করেন, তিনি দীর্ঘদিন কুয়েত প্রবাসী ছিলেন। সেখানে তিনি গৃহপরিচারিকার কাজ করে তার মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস উর্মিকে বিএ অনার্সে ভর্তি করান। এরমধ্যে ঢাকার সুরিটোলা এলাকার মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে আজগর আলীর সাথে বিয়ে দেওয়া হয়। তাদের ঘরে অনিম নামে একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। সে বর্তমানে আমাদের হেফাজতে রয়েছে।

প্রধান বিচারপতির বরাবর আজগর আলীর জামিন আদেশ বাতিল করার আবেদন জানানো হয়েছে জানিয়ে নূর আক্তার বলেন, চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল আজগর আলীকে হাইকোর্ট বিভাগ জামিন প্রদান করলেও তা আবার আপিল বিভাগ বাতিল করে দেন। এর আগেও বেশ কয়েকবার হাইকোর্টে জামিন আবেদন করলেও তা না মঞ্জুর করা হয়। কিন্তু এরপর কৌশল অবলম্বন এবং তথ্য গোপন করে নিম্ন আদালত থেকে জামিন নিয়ে বেরিয়ে আসে ‘ঘাতক’ খোকন।

তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন এবং প্রশ্ন তুলে বলেন, মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের বাতিলকৃত জামিন আদেশ থাকা সত্ত্বেও এবং হাইকোট বিভাগে রুল পেন্ডিং থাকা সত্ত্বেমহানগর দায়রা জর্জ আদালত আমার মেয়ে হত্যার মূল আসামী আজগর আলীকে কীভাবে জামিন দিল?

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ৫ নভেম্বরে ঢাকার সুরিটোলার একটি তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে নির্মম ওই হত্যাকা-টি ঘটে। এ ঘটনায় একই বছরের ৬ নভেম্বর ঢাকার বংশাল থানায় মেয়ের জামাই আজগর আলী এবং ভাগিনা রনির নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও তিন চারজনকে আসামী করে মামলা করেন নিহত ঊর্মির পিতা মো. খোকন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status