উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান সামরিক হুমকির জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিমুখী সম্পর্ক বাড়াতে একমত হওয়ার কথা জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল।
রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার (১১ মার্চ) ইয়ুনের সঙ্গে ফোনালাপের পর কিশিদা সাংবাদিকদের বলেছেন, উত্তর কোরিয়াকে ঠেকাতে জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া ঘনিষ্ঠ যোগাযোগে থাকতে রাজি হয়েছে এবং যত দ্রুত সম্ভব দুই পক্ষ বৈঠকে বসতে পারে।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা জানান, উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি একটি নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) ব্যবস্থার কিছু অংশ পরীক্ষা করেছে। একই সঙ্গে এ ধরনের অস্ত্র পরীক্ষাকে ‘গুরুতর উত্তেজনা বৃদ্ধি’ বলেও আখ্যায়িত করেছে দেশ দুটি।
কিশিদা বলেছেন, নিষেধাজ্ঞাসহ উত্তর কোরিয়াকে মোকাবিলা করার জন্য প্রায় সব কূটনৈতিক বিকল্প খোলা রয়েছে। এ বিষয়ে যেকোনো প্রতিক্রিয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখবে টোকিও।
সম্প্রতি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এক নির্বাচনে বিরোধীদলীয় রক্ষণশীল প্রার্থী ইউন সুক-ইওলকে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। ডেমোক্রেটিক পার্টির লি জায়ে-মিয়ংকে হারিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন রাজনীতির মাঠে অনভিজ্ঞ ইউন। তাই এ জয়কে দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষের বিজয় বলে অভিহিত করেছেন তিনি। দক্ষণি কোরিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে কম ভোটের ব্যবধানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিতদের একজন ইউন সুক-ইওল।