|
শ্রমিকের মরদেহের পকেটে মিলল চিরকুট
‘আমার লাশটা কোনো এক স্থানে পুতে দিবেন’ লেখা চিরকুট ঘিরে রহস্য
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
|
![]() ‘আমার লাশটা কোনো এক স্থানে পুতে দিবেন’ লেখা চিরকুট ঘিরে রহস্য রোববার সকালে উপজেলার সোনারামপুর এলাকার খান এগ্রো ফুড নামে একটি চালকল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মো. সানোয়ার হোসেন ওই চালকলের শ্রমিক ছিলেন। চালকলটির স্বত্বাধিকারী আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল করিম খান সাজু। সানোয়ার নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার স্বরসতীপুর এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে। তার পরনের প্যান্টের পকেট থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। চিরকুটে লেখা ছিল - আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, পারলাম না এর নিজেকে শান্তনা দিতে ও ধৈর্য ধরতে। আমি চলে যাচ্ছি না ফেরার দেশে। আমার কারো উপর কোনো অভিযোগ নাই। আমার জীবন ব্যর্থ। এই ব্যর্থতা গ্লানি আমাকে কুড়ে কুড়ে খায়। আমার লাশটা কোনো এক স্থানে পুতে দিবেন দয়া করে। জানাজার নামাজ করবেন, মাইকে এলান করবেন না। পরিশেষে, অনেক কিছু বলার ছিল কিন্তু সময় কম। আপনার সন্তানকে বুঝুন, যোগ্য বাবা হন। যোগ্য সন্তান গড়ে তুলুন। আমার মৃত মুখ আমার মাকে দেখাবেন না। আমার খাটিয়া বাবার কাঁধে উঠাই দিবেন না। ![]() ‘আমার লাশটা কোনো এক স্থানে পুতে দিবেন’ লেখা চিরকুট ঘিরে রহস্য আশুগঞ্জ থানার ওসি জাবেদ মাহমুদ জানান, সকালে চালকলের ভেতরে সানোয়ারের মরদেহ ঝুলতে দেখে থানায় খবর দেয়া হয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তিনি বলেন, সানোয়ারের প্যান্টের পকেট থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। এই চিরকুটটি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। চিরকুট পড়ে মনে হচ্ছে বাবার ওপর অভিমান করে ওই তরুণ আত্মহত্যা করেছেন। যদিও এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে। মামলাটির তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানা যাবে। দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও খান এগ্রো ফুডের স্বত্বাধিকারী জিয়াউল করিম খান সাজু জানান, সানোয়ারের সঙ্গে কাজ করা অন্য শ্রমিকরা জানিয়েছে, শনিবার রাতে মোবাইল ফোনে বাবার সঙ্গে ঝগড়া করেছে। সকালে ওর ঝুলন্ত মরদেহ পায়। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
