ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ৫ জুন ২০২৬ ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
‘তারা না মরা পর্যন্ত গুলি কর’
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Wednesday, 10 March, 2021, 2:27 PM

‘তারা না মরা পর্যন্ত গুলি কর’

‘তারা না মরা পর্যন্ত গুলি কর’

মিয়ানমারের খামপাট শহরে গত ২৭ ফেব্রুয়ারির ঘটনা। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে থা পেংকে তার সাবমেশিন গান দিয়ে গুলি করার নির্দেশ দিলে পুলিশের এই ল্যান্স করপোরাল তা করতে অস্বীকার করেন।

তিনি বলেন, পরের দিন এক অফিসার আমাকে ডেকে জানতে চান আমি গুলি করব কিনা। বিক্ষোভকারীরা না মারা যাওয়া পর্যন্ত গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাকে।

২৭ বছর বয়সী এই পুলিশ কর্মকর্তা তখনও গুলি না করার সিদ্ধান্তে অটল থাকার কথা জানান। এর পর তিনি বাহিনী থেকে পদত্যাগ করে চলে যান।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে। ১ মার্চ তিনি বলেন, খামপাটে পরিবার রেখে আমি বেরিয়ে পড়ি। এর পর তিন দিন ভ্রমণ করি। আমাকে যাতে কেউ শনাক্ত করতে না পারে, তাই রাতেই ভ্রমণ করতাম।

পরে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মিজোরাম রাজ্যের সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন তিনি। মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, আমার কিছু করার ছিল না।

পরিচয় গোপন রাখতে নামের একটি অংশ বলতে রাজি হয়েছেন তিনি। দোভাষীর মাধ্যমে এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, তার সঙ্গে আরও ছয় সহকর্মী ২৭ ফেব্রুয়ারি সামরিক সরকারের নির্দেশ অমান্য করেন।

যদিও রয়টার্স স্বাধীনভাবে এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।

২৭ ফেব্রুয়ারির ঘটনা নিয়ে থা পেংয়ের বর্ণনার সঙ্গে ১ মার্চ সীমান্ত টপকে মিজোরামে ঢুকে পড়া মিয়ানমার পুলিশের আরেক ল্যান্স করপোরাল ও তিন কনস্টেবলের কথার মিল পাওয়া গেছে।

মিজোরামের পুলিশ কর্মকর্তাদের লেখা ওই নথিতে চারজনের বিস্তারিত তথ্য এবং কেন তারা পালিয়ে এসেছে তা উল্লেখ করা হয়েছে।

মিয়ানমারের এসব পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বিভিন্ন স্থানে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ ও আইন অমান্য আন্দোলন জোরদার হতে থাকলে আমাদের বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের লোকজন, যারা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করছেন, তাদের ওপর গুলি করার হিম্মত নেই আমাদের।

এসব বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে রয়টার্স মিয়ানমারের সামরিক জান্তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাদের সাড়া পাওয়া যায়নি।

থা পেং আরও জানান, থানার ভেতর ৯০ শতাংশই বিক্ষোভকারীদের সমর্থন করে; কিন্তু তাদের কোনো নেতা নেই যে তাদের ঐক্যবদ্ধ করবে।

পরিবারের সদস্যদের কথা মনে পড়লেও মিয়ানমারে যেতে ভয় পাচ্ছেন বলে জানান তিনি। বললেন, আমি ফিরে যেতে চাই না।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status