বন্ধু আলিফের পরিচয় নষ্ট করতেই হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দেন হত্যাকারী ইমরান হোসেন। শনিবার মানিকগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দিতে এ তথ্য জানান তিনি।
জবানবন্দিতে ইমরান জানান, মানিকগঞ্জের সিংগাইরের রাজেন্দ্রপুরে দাদির কাছে থাকতেন আলিফ। তিনি ও ইমরান ছোটবেলার বন্ধু। দুজনই মাদকাসক্ত ছিলেন। ইয়াবা ও মাদক সেবনের টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। কয়েক মাস আগে ইয়াবা সেবন নিয়ে আলিফের সঙ্গে ইমরানের দূরত্ব তৈরি হয়। এরপর থেকে আলিফ অন্য বন্ধুদের সঙ্গে চলাফেরা ও ইয়াবা সেবন করতেন। ওই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে আলিফকে মোবাইলে ডেকে নিয়ে প্যান্টের বেল্ট দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে পরিচয় নষ্ট করতে লাশ কেরোসিন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেন।
সিঙ্গাইর থানার এসআই আনোয়ার হোসেন জানান, হত্যাকাণ্ডের ১০ দিন পর প্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানীর সূত্রাপুর থেকে ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি।