|
বাগমারায় ইউএনওর দায়িত্বে থাকা এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() বাগমারায় ইউএনওর দায়িত্বে থাকা এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ সম্প্রতি বাগমারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগ দেন মিজানুর রহমান। সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর বদলিজনিত কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম আহমেদ দায়িত্ব হস্তান্তর করলে প্রশাসনের চলতি দায়িত্ব সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমানের ওপর অর্পণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, চলতি দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্ধারিত চেয়ারে বসে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বাগমারা উপজেলা প্রশাসনে এমন নজির আগে দেখা যায়নি বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তার মধ্যে অসন্তোষও দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে গত ৮ সেপ্টেম্বর সাবেক ইউএনও সেলিম আহমেদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই অনুষ্ঠানের সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশ না করতে সাংবাদিকদের নিষেধ করেন ইউএনওর দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান। এর পরদিন বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রবেশ করেন বাগমারা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন। এ সময় প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা ও একজন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, উপস্থিত সবার সামনেই হেলাল উদ্দিনকে উদ্দেশ করে মিজানুর রহমান বলেন, তাকে সংবাদ প্রকাশ করতে নিষেধ করার পরও কেন সংবাদ করা হয়েছে। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। হেলাল উদ্দিন সংবাদটি করেননি বলে জানালেও মিজানুর রহমান তার মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চেক করে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাগমারা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন বলেন, সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে এ ধরনের চাপ প্রয়োগ বা বাধা দেওয়া মোটেও শোভনীয় নয়। আমাকে একপ্রকার চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য উদ্বেগজনক। সাংবাদিকদের মতে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিদায় সংবর্ধনা বা প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা গণমাধ্যমের স্বাভাবিক দায়িত্বের অংশ। এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। ওই সময় ইউএনওর কার্যালয়ে থাকা আরেক সাংবাদিক বলেন, এটা ঠিক হয়নি। একজন সাংবাদিক কোন নিউজ পাঠাবে আর কোনটা পাঠাবে না সেটা তার ব্যাপার। সেই সংবাদ নিয়ে এভাবে জেরা করতে পারেন না সরকারি কর্মকর্তা। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ইউএনওর চলতি দায়িত্বে থাকা মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হেলাল সাহেব আমাকে ফোন দিয়েছিল নিউজ এর বিষয়ে ছবির জন্য। সেই নিউজটি করতে নিষেধ করা হয়েছিল। আজকে একটা ফেসবুকে ওই নিউজটি চোখে পড়ে। তাই আজকে যখন অফিসে এসেছিল তখন তাকে বিষয়টি বলি এবং ফেসবুক চেক করে দেখি যে হেলাল সাহেবের আইডিতে নেই অন্য হেলাল নামের ফেসবুক আইডিতে আছে। তারপর আর তাকে কিছু বলা হয়নি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
