|
এবার রাজধানীর রাজউক স্কুলের প্রশ্নপত্রে সেফুদা!
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() এবার রাজধানীর রাজউক স্কুলের প্রশ্নপত্রে সেফুদা! সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নপত্রটি পড়ে দেখা যায়, প্রশ্নপত্রের প্রথম প্রশ্নটিই করা হয়েছে সেফুদাকে নিয়ে। প্রশ্নে বলা হয়, অদ্ভূত এক ধরনের মানুষ সেফাতুল্লাহ সেফুদা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে বিভিন্ন ধরনের কুরূচিপূর্ণ মন্তব্য করে। তরুণদের উদ্দেশে সে বলে-‘মদ খাবি মানুষ হবি। দেখ আমি আরও এক গ্লাস খাইলাম। তার কথার প্রতিবাদ করে একজন বিজ্ঞ আলেম বললেন, ‘তার মধ্যে যদি ইমানের সর্ব প্রথম ও সর্বপ্রধান প্রভাব পরিলক্ষিত হতো, তাহলে সে হয়ে উঠত একজন আত্মসচেতন ও আত্মমর্যাদা এক ব্যক্তি।’ এ উদ্দীপক থেকে প্রশ্ন করা হয়েছে- ‘আকাইদ কী?, ‘ইসলামের নাম ইসলাম রাখা হয়েছে কেন?’, ‘বিজ্ঞ আলেমের বক্তব্যে যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে, তা আমাদের জীবনে কী প্রভাব ফেলতে পারে তা ব্যাখ্যা করো’।‘ঘ’নম্বর প্রশ্নে বলা হয়েছে, তরুণদের উদ্দেশে দেয়া সেফুদার বক্তব্য কীসের শামিল? এর ফলাফল বিশ্লেষণ করো। সেফুদা একজন বিতর্কিত ফেসবুক সেলিব্রেটি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বিভিন্ন কুরূচিপূর্ণ মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন। ভার্চুয়াল জগতে লাইভে এসে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার সময় তার কিছু বিশেষ সংলাপ তরুণ প্রজন্মের অনেক ছেলে-মেয়েদের কাছে বিতর্কিত। এসব সংলাপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ‘মদ খা, মানুষ হ’, ‘কী? হিংসে হয়, আমার মতো হতে চাও’ ইত্যাদি। অস্ট্রিয়া প্রবাসী সেফুদার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলায়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। ১৯৯০ সাল থেকে তিনি অস্ট্রিয়ার রাজধানীর ভিয়েনায় বসবাস করছেন। তার পরিবারের দেয়া তথ্যমতে, তিনি বিভিন্ন মানসিক রোগে আক্রান্ত। প্রশ্নপত্রে এ রকম একজন বিতর্কিত ব্যক্তির নাম কেন-এমন প্রশ্নের জবাবে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শওকত আলম বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে আসেনি। হয়তো এটি ভুলবশত হয়ে গেছে। আমি এখন বাইরে একটি মিটিংয়ে রয়েছি, কলেজে গিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখব।’ |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
