ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ● ৮ নভেম্বর ২০২৬ ● ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
তিনি কমলনগর পাটারিহাটের তহসিলদার!
মোস্তাফিজুর রহমান টিপু, লক্ষ্মীপুর
প্রকাশ: Friday, 31 May, 2019, 1:05 AM

তিনি কমলনগর পাটারিহাটের তহসিলদার!

তিনি কমলনগর পাটারিহাটের তহসিলদার!

এটি কোন বাসা বাড়ি কিংবা হাসপাতাল নয়, এটি লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার ৬ নং পাটারি হাট ইউনিয়ন ভূমি সহকারির কার্যালয়। এ কার্যালয়ের প্রধানকে কেউ বলে তহসিলদার আবার কেউ বলে ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা। ছবিটিই প্রমাণ করছে তার দ্বারা এ ইউনিয়নের জনগণ সেবা পাচ্ছে না হয়রানি হচ্ছে। নি:সন্দেহে বলা যায় হয়রানি। কারণ তার ঘুম পুরলেই জনগণ সেবা পাওয়ার আশা করতে পারে। হয়তবা আবার আশাহত হয়ে বাড়িতেও ফিরতে পারেন। এমটিই জানাচ্ছেন তহসিল অফিসে আসা অপেক্ষা থাকায় কয়েকজন ব্যাক্তি। ইতিমধ্যে সরকারি অফিসে মাথা ও পায়ের তলায় বালাম রেখে  তহসিলদারের  ঘুমিয়ে যাওয়ার এই চিত্রটি নানা সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ৩০ মে, অফিস চলাকালীন সময়ে অফিসের টেবিলের উপরে লেজার বই মাথা ও পায়ের নিচে দিয়ে এই আয়েসি ঘুম দিয়েছেন তহসিলদার আব্দুস সাত্তার।




বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানা যায় তহসিলদার আব্দুস সাত্তার সেবা প্রার্থীদের পাত্তা না দিয়ে তিনি এভাবেই প্রতিনিয়ত ঘুমিয়ে যান অফিসে। যদিও দু’চারটা কাজ করেন তাতে বিপুল পরিমাণ উপঢৌকন গ্রহণ করেন। বিগত দিনে তার বিরুদ্ধে পাটারি হাট ইউনিয়নে অর্থের বিনিময়ে সরকারি জমি বন্দোবস্ত দেয়াসহ নথি খুলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এই তহসিলদারের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই নিয়ে কয়েকবার খবর প্রকাশিত হলেও তিনি বহাল তবিয়তে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

অদৃশ্য কারণে তার বদলি হচ্ছে না বলেও জানান একাধিক ভুক্তভোগী। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, ওই ইউনিয়নের এক রিকশাচালকের মেয়ের সাথেও ছিল তার অনৈতিক সম্পর্ক। এই নিয়ে স্থানীয়দের রোষানলে পড়লে তিনি ওখান থেকে অফিস সরিয়ে হাজির হাট নিয়ে আসেন। তথাপিও তার বদলি হয়নি।

আব্দুস সাত্তার দুলাল বিভিন্ন অফিস ম্যানেজ করে বহাল তবিয়তে থেকে অর্থ বাণিজ্য, বন্দোবস্ত বাণিজ্য, নথি বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। জানা গেছে তিনি অর্থের বিনিময়ে সরকারি জমি নথি করে দেন, বন্দোবস্ত দিয়ে দেন, এমনকি মনগড়া বক্তব্য দেন গণমাধ্যমের কাছে। তার অফিসে সাধারণ সেবাপ্রার্থীরা হয়রাণীর শিকার হন। জানা গেছে তিনি টাকা ছাড়া কোনো কথাই বলেন না, এমনকি কাগজপত্র ঠেকিয়ে অর্থ আদায় করেন এ তহশিলদার।

মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করে আবদুস সাত্তার কে পাওয়া গেল। তিনি ঘুমানোর কথাটি অকপটে স্বীকারও করলেন। আব্দুস সাত্তারের খুঁটির জোর কোথায়,  তবে কি তিনি ঐ খুঁটির বলেই এ ভাবেই সরকারি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন? উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে এ প্রশ্নটি রেখেছিলেন এ এলাকার সাধারণ জনগণ।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status