গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সীমা রানী দাসকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী উদ্ভবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের বড়চালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্ত্রীকে হত্যার পর জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন উদ্ভব নিজেই। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সীমা রানী দাসের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের স্বজনদের দাবি, স্ত্রী হত্যার পর মরদেহের পাশে বসে ধূমপান করছিলেন অভিযুক্ত স্বামী। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। ঘটনার রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, নিহত নারীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁর গলা ও মাথায়ও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।