|
খাগড়াছড়িতে আবুল খায়ের টোব্যাকোর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের
মোঃ লোকমান হোসেন, দীঘিনালা
|
![]() খাগড়াছড়িতে আবুল খায়ের টোব্যাকোর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া চাষীদের অভিযোগ, বিভিন্ন সময় লাভের আশ্বাস ও ঋণ সুবিধার কথা বলে তাদের তামাক চাষে উদ্বুদ্ধ করা হয়। তবে মৌসুম শেষে উৎপাদিত পাতা বিক্রির সময় কোম্পানি পর্যাপ্ত পাতা গ্রহণ করছে না। অনেক ক্ষেত্রে শুধু ঋণের টাকার সমপরিমাণ পাতা কিনে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। চাষীদের দাবি, প্রতি কানি জমিতে ১২ থেকে ১৪ বেল পর্যন্ত তামাক উৎপাদন হলেও কোম্পানি মাত্র ৪ থেকে ৫ বেল পাতা নিচ্ছে। এতে অতিরিক্ত উৎপাদিত পাতা বিক্রি করতে না পেরে তারা আর্থিক সংকটে পড়েছেন। স্থানীয় চাষী কালাম বলেন, কোম্পানির কথায় লোন নিয়ে তামাক চাষ করেছি। এখন তারা পুরো পাতা নিচ্ছে না। এতে ঋণ শোধ করা নিয়েই দুশ্চিন্তায় আছি। আরেক চাষী মিজানুর রহমান জানান, ভালো ফলন হলেও লাভ হচ্ছে না। বাকি পাতা বিক্রি করার কোনো জায়গা নেই। এখন আমরা বড় ক্ষতির মুখে। চাষী শুভেন্দু চাকমা বলেন, আগে অন্য ফসল চাষ করতাম। কোম্পানির পরামর্শে তামাকে আসি। এখন উৎপাদিত পাতা পড়ে আছে, কিন্তু তারা নিচ্ছে না। সমাবেশে চাষীরা কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে— ন্যায্য মূল্যে তামাক পাতা ক্রয়, প্রথম ধাপে বেশি পরিমাণ পাতা গ্রহণ, বাহন কোড চালু, দুই ধাপে ঋণ পরিশোধের সুযোগ এবং কালো পাতা ক্রয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সমাধান না হলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে যাবেন। এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির স্থানীয় কার্যালয়ে সরেজমিনে গেলে দায়িত্বশীল কেউ এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিকল্প ফসল ও বাজার ব্যবস্থার উন্নয়ন না হলে কৃষকদের এই নির্ভরশীলতা ভবিষ্যতে আরও বড় সংকট তৈরি করতে পারে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
