|
হিট স্ট্রোক নাকি ডিহাইড্রেশন- বুঝবেন কী ভাবে?
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() হিট স্ট্রোক নাকি ডিহাইড্রেশন- বুঝবেন কী ভাবে? হিটস্ট্রোক কী প্রচণ্ড গরমে হিট স্ট্রোক খুবই সাধারণ সমস্যা। তখন হঠাৎ করেই শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। রক্তনালি প্রসারিত হয়ে যায়। অতিরিক্ত তাপমাত্রা শরীর থেকে বেরোতে পারে না। স্বাভাবিক ভাবেই রোগীর অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কাজ করা বন্ধ করে দেয়। অনেক সময়ে রোগী অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে। কখনও কখনও হিট স্ট্রোক এতটাই মারাত্মক হয় যে রোগীর প্রাণসংশয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়। হিট স্ট্রোকের লক্ষণগুলো হিট স্ট্রোক হলে হঠাৎ করে পেশিতে খিঁচুনি শুরু হয়। শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় এবং শরীরজুড়ে অস্বস্তি কাজ করে। অনেক সময়ে রোগী চোখে অন্ধকার দেখে এবং অজ্ঞান হয়ে যায়। কারও কারও বমিও হয়। ডিহাইড্রেশন কী শরীরে পানি ঘাটতি হলেই ডিহাইড্রেশনে ভুগতে পারেন। অতিরিক্ত গরমে শরীরে প্রচণ্ড ঘাম হয়। সেই ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে জল ও খনিজ বেরিয়ে যায়। তখন শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়। তখন এই সময়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি, স্যালাইন কিংবা লেবুর শরবত খেলে শরীর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। ডিহাইড্রেশন হলে বুঝেবন কী ভাবে? হিট স্ট্রোকের চেয়ে ডিহাইড্রেশনের লক্ষণগুলো খুব একটা আলাদা নয়। তবে ডিহাইড্রেশন হলে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে না। বরং, ঠোঁট ও মুখের চারপাশ শুকিয়ে যায়। প্রবল ঘাম হয় এবং শরীরজুড়ে ক্লান্তি কাজ করে। পানির অভাবে কারও কারও তীব্র মাথা ব্যথা হয়। গরমকালে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি না খেলেই শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়ে। ডিহাইড্রেশনের ক্ষেত্রে পানি বা ওর স্যালাইন খেলে শরীর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে যায়। গরমের এই সময়ে ঘন ঘন পানি এবং স্বাস্থ্যকর পানীয় খেলে, ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিেএড়ানো যায়। কিন্তু হিট স্ট্রোক যখন তখন ঘটতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘক্ষণ রোদে ঘোরাঘুরি করলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই রোদে বেরোলে ঢিলে পোশাক পরুন, সঙ্গে ছাতা, সানগ্লাস, পানির বোতল রাখুন। হিট স্ট্রোক ও ডিহাইড্রেশন হলে কী করবেন? হিট স্ট্রোক হলে রোগীকে ঠান্ডা বা ছায়া রয়েছে এমন জায়গায় বসাতে হয়। মুখে-চোখে, ঘাড়ে দ্রুত ঠান্ডা পানি দিয়ে ঝাপ্টা দিন। রোগীকে ঠান্ডা পানি বা ওর স্যালাইন খাওয়ান। গায়ের পোশাক আলগা করে দিন দিন। রোগীর সমস্যা না কমলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
