|
ইরান যেভাবে হরমুজ চালাচ্ছে ‘আমাদের চুক্তিতে তা নেই’: ট্রাম্প
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() ইরান যেভাবে হরমুজ চালাচ্ছে ‘আমাদের চুক্তিতে তা নেই’: ট্রাম্প তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি যে আসলে মারাত্মক ভঙ্গুর অবস্থায় আছে, ট্রাম্পের এ মন্তব্যেই তা প্রতিফলিত হচ্ছে এবং চুক্তিতে কী আছে, তা নিয়ে দুই পক্ষের বিপরীতধর্মী বক্তব্য মিলছে, জানিয়েছে বিবিসি। এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা ও বৈরুতের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে তার সরকার লেবাননের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে। দিনকয়েক পর ওয়াশিংটনে এ সংক্রান্ত আলোচনা হবে বলে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। লেবাননের কর্মকর্তারা আলোচনার আগে যুদ্ধবিরতি চাইছেন। কিন্তু উত্তর ইসরায়েলের বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে নেতানিয়াহু বলেছেন, “লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি নেই।” বৃহস্পতিবারজুড়ে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকার পর গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত দেশটিতে ইসরায়েলি হামলার মাত্রা কমেছে বলে মনে হচ্ছে। এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিতে লেবাননে হামলা ‘কমিয়ে আনবে’ ইসরায়েল। “আমি বিবির (নেতানিয়াহু) সঙ্গে কথা বলেছি, তিনি মাত্রা কমাবেন। আমার মনে হয়, আমাদের আরেকটু সংযত হতে হবে,” নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপের পর এনবিসি নিউজকে এমনটাই বলেছেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকেই লেবানন ওই বিরতিতে আছে না নেই তা নিয়ে ‘বিভ্রান্তি’ শুরু হয়। ইরানি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান বলে, লেবানন আছে। অথচ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তা অস্বীকার করে। এই বিভ্রান্তির মধ্যেই লেবাননে দফায় দফায় হামলা চালায় ইসরায়েল। ছয় সপ্তাহ আগে ইরানে হামলা শুরুর পর লেবাননে যুদ্ধ চললেও আগে এমন হামলা দেখা যায়নি। হামলা এবং কয়েকশ প্রাণহানির ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ইরান বলে, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে। তারা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ফের বন্ধ এবং ইসরায়েলে পাল্টা হামলার হুমকিও দেয়। বিশ্বের অন্তত ২০% তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) যে সঙ্কীর্ণ জলসীমা দিয়ে গন্তব্যে যায়, সেই জলসীমায় নৌযান চলাচল নিয়ে বৃহস্পতিবার ট্রুথ সোশালে পোস্ট দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “খবর পাওয়া যাচ্ছে যে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া ট্যাংকার থেকে ফি নিচ্ছে। তাদের এটা করা ঠিক হবে না, যদি তারা করেও থাকে, তাহলে তাদের উচিত এখনই তা বন্ধ করা।” |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
