ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ১৪ মে ২০২৬ ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
সিআইএ’র যে গোপন প্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধার হন নিখোঁজ মার্কিন পাইলট
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 9 April, 2026, 8:28 PM

সিআইএ’র যে গোপন প্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধার হন নিখোঁজ মার্কিন পাইলট

সিআইএ’র যে গোপন প্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধার হন নিখোঁজ মার্কিন পাইলট

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ)-এর তৈরি এক অত্যন্ত গোপন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দক্ষিণ ইরানে বিধ্বস্ত মার্কিন যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় পাইলটকে শনাক্ত ও উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ঘোস্ট মার্মার’ নামের একটি প্রযুক্তির মাধ্যমে হৃৎস্পন্দন শনাক্ত করে ওই পাইলটকে খুঁজে বের করা হয়। বিমানচালকের কলসাইন ছিল ‘ডুড ৪৪ ব্রাভো’। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তাকে ‘উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন কর্নেল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

 তিনি এফ–১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমানের ওয়েপনস সিস্টেম অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ইরানের ইসফাহানের দক্ষিণ-পশ্চিমে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর দুইজন বিমানচালককে উদ্ধারের অভিযান শুরু হয়।
 
প্রথম পাইলট ইজেক্ট করে নিরাপদে উদ্ধার হন এবং একই দিন সামরিক হেলিকপ্টারের মাধ্যমে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে দ্বিতীয় বিমানসেনা শত্রু সীমারেখার প্রায় ২০০ মাইল ভেতরে আটকে পড়েন। তিনি হাতে একটি হ্যান্ডগান নিয়ে প্রায় ৩৬ ঘণ্টা মরুভূমিতে অবস্থান করেন।
  
সারভাইভাল, ইভেশন, রেজিস্ট্যান্স অ্যান্ড এস্কেপ (SERE) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ওই পাইলট একটি বুয়িং-নির্মিত কমব্যাট সারভাইভার ইভেডার লোকেটর বীকন সক্রিয় করতে সক্ষম হন। তবে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থানের কারণে তার সঠিক অবস্থান নির্ধারণ কঠিন হয়ে পড়ে।

দ্য নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে কমান্ডো দল ‘ঘোস্ট মার্মার’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওই পাইলটকে শনাক্ত করে এবং পরে তাকে উদ্ধার করে।
 
প্রযুক্তিটি দীর্ঘ-পরিসরের কোয়ান্টাম ম্যাগনেটোমেট্রি ব্যবহার করে মানুষের হৃদস্পন্দনের দুর্বল বৈদ্যুতচৌম্বক সংকেত শনাক্ত করে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সফটওয়্যারের মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ করে অবস্থান নির্ধারণ করে।
  
একটি সূত্রের বরাতে বলা হয়,‘এটি এমন যেন হাজার বর্গমাইল মরুভূমির ভেতর স্টেডিয়ামে একটি নির্দিষ্ট কণ্ঠস্বর খোঁজা—যদি হৃদস্পন্দন থাকে, তবে তাকে খুঁজে বের করা সম্ভব।’
 
সূত্র আরও জানায়, ইরানের বিস্তীর্ণ মরুভূমি ছিল এই প্রযুক্তির প্রথম বাস্তব পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ, কারণ সেখানে বৈদ্যুতচৌম্বকীয় বিঘ্ন কম এবং তাপমাত্রার পার্থক্য সংকেত শনাক্তে সহায়ক ছিল।

 প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। এটি মূলত নির্জন ও কম শব্দযুক্ত পরিবেশে কার্যকর এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রচুর সময় লাগে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status