|
সংরক্ষিত নারী আসনে কুমিল্লা থেকে প্রার্থী যারা
শেখ ফরিদ উদ্দিন
|
![]() সংরক্ষিত নারী আসনে কুমিল্লা থেকে প্রার্থী যারা তাঁর স্বামী মরহুম আলাউদ্দিন আহমেদ ছিলেন আমৃত্যু বিএনপি ও যুবদলের একজন ত্যাগী ও সংগ্রামী নেতা। তিনি কুমিল্লার ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা ছাত্র নেতাদের কয়েকজনের মধ্যে অন্যতম একজন। ২০০৮ সালে ততকালীন বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মইনুদ্দিন – ফখরুদ্দিন এর মিথ্যা মামলায় দীর্ঘ দিন কারাভোগের পর জেল থেকে মুক্তি পেয়ে বের হবার সময় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় যুবদল কেন্দ্রীয় নেতা আলাউদ্দিনের মৃত্যু হয়। সেই কঠিন সময়ের পর দলীয় নেতৃত্বের ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরাসরি অনুপ্রেরণায় সাবেরা আলাউদ্দিন সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে আত্মনিয়োগ করেন এবং দলীয় কার্যক্রমে নিবেদিতভাবে কাজ করে আসছেন। তিনি ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন এবং দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে দলের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন। ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও কুমিল্লা অঞ্চলে প্রার্থীকে বিজয়ী করতে মাঠপর্যায়ে সংগঠন, নারী সমাবেশ ও কর্মী সমন্বয়ে কৌশলগত ভূমিকা পালন করেন বিএনপি নেত্রী এডভোকেট সাবেরা আলাউদ্দিন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেবা মুলক সংগঠন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়। অসহায় নারী ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তা, শিক্ষা বিস্তার এবং সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে সচেতনতা কার্যক্রমে যুক্ত আছেন সাবেরা আলাউদ্দিন। দলীয় হাই কমান্ড ও জেলার নেতা কর্মীদের উপর আস্থা রেখেই কুমিল্লা থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন এডভোকেট সাবেরা আলাউদ্দিন। দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, দল যদি তাকে সুযোগ দেয়, তবে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জাতীয় সংসদে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং দল ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন সাবেরা আলাউদ্দিন। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূল সংযোগ এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে অনেকেই মনে করছেন,ু সংরক্ষিত নারী আসনে তিনি শক্ত প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন। ২। শামীমা আক্তার রুবি। মুরাদ নগর। তিনি মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক।এর আগে তিনি ফ্রান্স মহিলা দলের সহ সভাপতি ছিলেন। ছাত্র জীবনে মুরাদনগরের কোম্পানি গন্জ বদিউল আলম ডিগ্রি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি ছিলেন। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে রুবির লেখা "মুক্তি চাই " গান সারাদেশে তারুণ্যের সমাবেশে প্রশংসিত হয়। প্রবাসে অবস্থান কালে হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে রুবির ছিল সক্রিয় ভূমিকা। এবার দল নারীদের পক্ষে তাঁকে সংসদে কথা বলার সুযোগ করে দেবে বলে তিনি আশা করেন। ৩। শাহনাজ আক্তার, (লাকসাম)। গুম হওয়া লাকসাম পৌর বিএনপির ততকালীন সভাপতি হুমায়ূন কবির পারভেজের সহধর্মিণী শাহনাজ আকতার। শাহনাজ ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর লাকসাম পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি লাকসাম পৌর বিএনপির সহসভাপতি। বাংলাদেশ নাগরিক অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি। ২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর রাতে কুমিল্লা নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে র্্যাব সদস্যরা সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম হিরু, পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ূন কবির পারভেজ ও পৌর বিএনপির ততকালীন সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিনকে তুলে নিয়ে যান। পরে আজ অবধি হিরু ও পারভেজের হদিস মিলেনি। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, স্বামীর নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন শাহনাজ। গুমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সেমিনার, প্রতিবাদ মিছিলে অংশনেন তিনি। শাহনাজ আকতার বলেন,দলের জন্য তাঁর পরিবারের ত্যাগ রয়েছে। তাঁর স্বামী গুম হয়েছেন।১৩ বছর ধরে মাঠে কাজ করছেন তিনি। স্বামীর স্মৃতি নিয়ে বেঁচে থাকতে দল তাঁকে এমপি হতে সুযোগ করে দেবে বলে আশাবাদী শাহনাজ। ৪। সাবিনা বেগম। (কুমিল্লা দঃ) কুমিল্লা দঃ জেলা মহিলা দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন সাবিনা বেগম। এছাড়া তিনি দঃ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। এর আগে তিনি বিএনপির দঃ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন । সাবিনা বেগম বলেন, দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর সৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে হামলা নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাঁকে। দলের হাই কমান্ড বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে আশা করছেন তিনি। ৫। শামসুন্নাহার সেলিনা এম এস সি, এল এল বি,ঢা,বি,।(দাউদ কান্দি ).। বর্তমানে তিনি দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সদস্য। কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯৯- ২০১৩ সাল পর্যন্ত। এ সময় তিনি তৃনমুল পর্যায়ে টিম ওয়ার্ক করে জেলার প্রতিটা ইউনিটের সাংগঠনিক ভিত অত্যন্ত শক্ত ও মজবুত করে গড়ে তোলে প্রশংসিত হয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা উঃ জেলা মহিলা দল আজও খুবই সংগঠিত । ফলে জাতীয় নির্বাচনে প্রত্যেকটি উপজেলার সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে মহিলা দলের সম্পৃক্ততায় মহিলা ভোটারদের ভোট প্রাপ্তিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে বলে অনেকে মনে করছেন। কুমিল্লা জেলা থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হিসেবে সামনে এসেছেন দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মী শামসুন্নাহার (সেলিনা)। তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেত্রী ইতোমধ্যে দলীয় অঙ্গনে নিজেকে নিবেদিত, সাহসী ও সংগঠক হিসেবে প্রমাণ করেছেন। দাউদকান্দি উপজেলার তুলাতলী গ্রামের কৃতী সন্তান শামসুন্নাহার উচ্চশিক্ষিত একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণীবিজ্ঞানে এম.এসসি এবং এলএল.বি ডিগ্রী অর্জন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে ধারাবাহিকভাবে সংগঠনের জন্য কাজ করে আসছেন। ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমন্ত্রণে প্রেসিডেন্ট ভবনে ( বঙ্গ ভবন) আয়োজিত কর্মসূচিতে শিশু শিল্পী হিসেবে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু। সেই থেকে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রানীত। সেলিনা ১৯৯০ সালে ছাত্রদলের হয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং ১৯৯৬ সাল থেকে মূল দলের রাজনীতিতে সরাসরি যুক্ত হন। ১৯৯৮ সালে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্যপদ লাভের পর সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। দাউদকান্দি থানা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা এবং পরবর্তীতে কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকাসহ বিভিন্ন পদে থেকে দীর্ঘ সময় নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে কুমিল্লা উত্তর জেলায় নারী সংগঠন জাতীয়তাবাদী মহিলা দল শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়ায় এবং কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দলের বিভিন্ম কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে প্রতিটা সংসদ নির্বাচনে তার নির্বাচনী এলাকা কুমিল্লা - ১ এর দলীয় প্রার্থী বিএনপির স্হায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এর জন্য মহিলাদের সংগঠিত করে ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করে ধানের শীষের পক্ষে ভোট সংগ্রহে ব্যাপক প্রশংসিত হন। এমনি ভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে দলে তার অবস্থান করে নেতার ঘনিষ্ঠতা অর্জনে করেন সেলিনা। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামেও তার সক্রিয় উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে রোড মার্চ, লং মার্চ , বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার কর্মসূচি, সাম্প্রতিক সংস্কার কর্মসূচির প্রচার—সবখানেই তিনি মাঠে ছিলেন। ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনেও অংশ নেন এবং ব্যক্তিগত ক্ষয়ক্ষতির মুখেও পিছিয়ে যাননি। পেশাগত জীবনেও তিনি সফল। দীর্ঘ সময় ব্যাংকিং খাতে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিদেশেও শিক্ষাক্ষেত্রে কাজ করেছেন। ব্যাংকের চাকুরী জীবনে সৈরাচার আওয়ামী লীগ আমলে সেলিনা বহু লাঞ্ছনা ও বঞ্চনার শিকার হয়ে তিনি আর্থিক ভাবেও ক্ষতি গ্রস্থ। বর্তমানে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হিসেবে শামসুন্নাহার (সেলিনা) জানান, নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়ন এবং কুমিল্লার সার্বিক অগ্রগতির জন্য কাজ করাই তার লক্ষ্য। দলীয় হাইকমান্ড ও নেতাকর্মীদের প্রতি আস্থা রেখে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূল সংযোগ এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে অনেকেই মনে করছেন, সংরক্ষিত নারী আসনে তিনি শক্ত প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন। ৬। দিলারা শিরীন।, ( মেঘনা)। মেঘনা উপজেলার তিন বারের ভাইস চেয়ারম্যান। মেঘনা উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা উঃ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। দিলারা শিরীন বলেন, মেঘনা উপজেলা অত্যন্ত রিমোট অঞ্চল। এখানে মহিলাদের সংগঠিত করা কঠিন। এই বাস্তবতার মধ্যে স্থানীয় ও জাতীয় প্রতিটি নির্বাচনে মহিলাদের সংগঠিত করে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। দল তার কাজের স্বীকৃতি দিয়ে মূল্যায়ন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন জনপ্রিয় নেত্রী দিলারা শিরীন। ৭। সামিরা আজিম দোলা কুমিল্লা - ৯ ( লাকসাম - মনোহর গন্জ) আসনের বিএনপির সাবেক এমপি মরহুম কর্নেল (অবঃ) আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে।দোলা এবারের সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন। পরে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে দলের মনোনীত প্রার্থী আবুল কালামের পক্ষে কাজ করেন। দোলা বলেন, দলের নির্দেশে আমার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে দলীয় প্রার্থীর জন্য কাজ করেছি। দলের কেন্দ্রীয় এবং জেলার নেতারা আশ্বাস দিয়েছিলেন , দল ক্ষমতায় গেলে তাঁকে মূল্যায়ন করা হবে। এখন দল তাঁকে মূল্যায়ন করবে এমন আশাবাদী দোলা। ৮। সুফিয়া আক্তার। ( দেবিদ্বার)। তিনি কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি ও দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। ৯। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ছাত্র দলের কেন্দ্রীয় সহ সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ডালিয়া রহমানের নামও আলোচনায় রয়েছে। তাঁর বাড়ি বরুড়া উপজেলায়। তিনি দলের চেয়ারপার্সন মরহুমা খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরা দেয়ার সময় তাঁর গাড়ি বহরের প্রটোকলে আলোচিত একমাত্র মহিলা বাইক রাইডার ছিলেন। সংরক্ষিত আসনের নারী প্রার্থীদের বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে অনেকেরই নাম শোনা যাচ্ছে। তাদের অনেকেই দীর্ঘদিন দলের সাথে কাজ করছেন। তবে তাদের নির্বাচনের বিষয়ে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শিদ্বান্তই চূড়ান্ত। আমরা আশা করছি এ ক্ষেত্রে যোগ্যরাই সুযোগ পাবে এবং ত্যাগী নেত্রীদের সঠিক মূল্যায়ন হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
চরভদ্রাসনে ইয়াবা সেবনের অভিযোগে তিন যুবক আদালতে প্রেরণ
চরভদ্রাসনে সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত: ৮ মামলায় ৩ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা
ফুলবাড়ীতে সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদের বক্তব্যের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল
বন্যার্ত মানুষের পাশে দীঘিনালা জোন, ১৬ আশ্রয়কেন্দ্রে ৭৫১ জনের মাঝে দুপুরের খাবার বিতরণ
