ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ১ মার্চ ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২
তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন যুগের সূচনা
রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী
প্রকাশ: Saturday, 28 February, 2026, 3:43 PM

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন যুগের সূচনা

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন যুগের সূচনা

সুদূর প্রবাসে দীর্ঘ নির্বাসন শেষে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, মাকে হারিয়ে দলীয় প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ এবং সবশেষে বহুল আকাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের মাধ্যমে ১১তম প্রধানমন্ত্রী হয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা করলেন তারেক রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর দল বিএনপি জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ আসন অর্জন করে। ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে তিনি দলীয় সংসদ সদস্যদের নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে শপথ গ্রহণ করেন। শপথ গ্রহণের পর দলের সংসদীয় সভায় সংসদ নেতা নির্বাচিত হন। ওইদিনই বিকালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভা বা সরকার গঠন করেন এবং রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ গ্রহণ করেন। মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের ক্ষেত্রে তিনি প্রচলিত প্রথা ভেঙে দেন। বঙ্গভবনের পরিবর্তে শপথ নেন জাতীয় সংসদ ভবনের উন্মুক্ত দক্ষিণ প্লাজায়। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগে থেকেই তিনি একের পর এক চমকপ্রদ পদক্ষেপ নিয়ে চলেছেন। সংসদীয় দলের প্রথম সভাতেই ঘোষণা দেন, তাঁর দলের এমপিরা শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট বরাদ্দের সুবিধা নেবেন না। সরকার গঠনের পর প্রথম দুদিন অফিস করেন সচিবালয়ে। ১৮ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেন। একই দিন তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। ভাষণের শুরুতেই মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে তিনি বলেন, হাজারো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পেরেছি। তাঁবেদারমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের ভোটে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে। দেশে গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার এই যাত্রালগ্নে আমি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা এবং আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। স্বাধীনতাপ্রিয় গণতন্ত্রকামী জনগণের কারণেই দেশে আবার মানুষের অধিকার, সম্মান এবং মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমি দেশবাসীর উদ্দেশে একটি বার্তা দিতে চাই, মুসলমান হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান তথা দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড়ে কিংবা সমতলে বসবাসকারী— এই দেশ আমাদের সবার। প্রত্যেক নাগরিকের জন্যই এই দেশকে আমরা একটি নিরাপদ ভূমিতে পরিণত করতে চাই। একটি স্বনির্ভর নিরাপদ মানবিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই বিএনপি সরকারের লক্ষ্য।

তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিবাদের সময়কালের দুর্নীতি-দুঃশাসনে পর্যুদস্ত একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল শাসন কাঠামো আর অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের মনে শান্তি নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই হচ্ছে আমাদের সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। সারাদেশে জুয়া এবং মাদকের বিস্তারকেও বর্তমান সরকার আইনশৃঙ্খলা অবনতির অন্যতম কারণ বলে চিহ্নিত করেছে। সুতরাং জুয়া এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সব রকমের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করছে। দেশের প্রতিটি সাংবিধানিক এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চলবে বিধিবদ্ধ নীতি-নিয়মে। দলীয় কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব-প্রতিপত্তি অথবা জোরজবরদস্তি নয়, আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে এটাও জানিয়ে দেন যে, শুক্রবার জুমার দিন বাদে সপ্তাহের বাকি ছয়দিনই তিনি অফিস করবেন। মন্ত্রীদের অপ্রয়োজনীয় বায় পরিহারের নির্দেশ দেন। পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা এবং সিন্ডিকেট দমনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন। রাজনৈতিক আদর্শ ভিন্ন হলেও দেশের সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলেন। রাজনৈতিক বিভাজন দূর করতে এবং দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠনে তিনি জাতীয় ঐক্য ও শান্তির ডাকও দেন। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের আগেই তাঁকে দেখা গেছে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী জোটের শীর্ষ দুই নেতার বাসায় ছুটে গেছেন এবং সবাই এক সঙ্গে দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, যা দেশের ইতিহাসে আর কখনো দেখা যায়নি।

তারেক রহমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর গতানুগতিক ভিআইপি-প্রথা ভেঙে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হয়েও তিনি রাস্তাঘাটে চলাফেরা করছেন সাধারণ মানুষের মতো ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে। প্রধানমন্ত্রী কোথাও আসবেন কিংবা যাবেন এই উপলক্ষে রাস্তাঘাট বন্ধ করে জনচলাচলে ব্যাঘাত ঘটানোর প্রথাও তিনি তুলে দিয়েছেন। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারেও তাঁকে দেখা গেছে ব্যতিক্রম ভূমিকায়। একুশের প্রথম প্রহরে তিনি শুধু ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাননি, শ্রদ্ধা জানানোর পর শহীদ মিনারের বেদিতে দাঁড়িয়ে তাঁদের জন্য দু'হাত তুলে দোয়াও করেন, যা আমাদের ইতিহাসে প্রথম। পত্রিকার রিপোর্ট, প্রধানমন্ত্রী সরকারি গাড়ি ব্যবহার করছেন না। ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি সাভার ও শেরেবাংলা নগরে যান নিজের টয়োটা গাড়িতে চড়ে। সেখান থেকে সচিবালয়ে আসেন সেই গাড়িতেই। শুধু এটাই নয়, যানজটের কথা বিবেচনা করে তাঁর নির্দেশে তাঁর গাড়িবহরের সংখ্যা ১৩-১৪ থেকে ৪টিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। এমনকি তিনি গাড়িতে পতাকাও ব্যবহার করছেন না। শুধু রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান অথবা বিদেশি মেহমানদের সফর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে পতাকা ব্যবহার হবে বলে তাঁর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান। যানজট কমাতে এখন থেকে মন্ত্রিসভার বেশিরভাগ বৈঠক হবে সচিবালয়েই। রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথে সড়কের দুইধারে পোশাকধারী পুলিশের অবস্থানের যে বিধান তা বন্ধ করার জন্যও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের তিনদিন পর ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে যান এবং সেখানে প্রথমে তিনি একটি স্বর্ণচাপা ফুলগাছের চারা রোপণ করেন। এরপর অফিসে ঢুকে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খাম উন্মোচন করেন। পরে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। এর মধ্যে অন্যতম ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু এবং খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা প্রদান।

প্রাথমিকভাবে দেশের পাঁচ কোটি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর নামে এ কার্ড ইস্যু করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবার প্রধানম মাসিক দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পাবে। চলতি রমজান মাসেই কার্ড বিতরণ কার্যক্রম পরীক্ষামূলক শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে বিতরণ করা হবে। একইভাবে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের উৎসব ভাতা এবং মাসিক সম্মানী দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, তাদের সার্ভিস রুলের (সেবা বিধিমালা) আওতায়ও আনা হবে। প্রধানমন্ত্রী এসব প্রকল্পকে দেশের তৃণমূল পর্যায়ের আর্থিক ভিত্তি মজবুত করার এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বপ্ন প্রকল্প হিসেবে অভিহিত করেন।

তিনি প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে ১৮০ দিনের একটি বিশেষ পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন। আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আরো যেসব সিদ্ধান্ত অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে রাখা হয়েছে তারমধ্যে অন্যতম দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ। রমজানের প্রধান খাদ্যপণ্য খেজুর, ভোজ্যতেল, ডাল ইত্যাদি আমদানিতে শুল্ক কমানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সারাদেশে বাজার মনিটরিং ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার জন্য স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশের ১০ লাখ নিম্নবিত্ত পরিবারকে সুলভ মূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সরবরাহের জন্য খাদ্য ও মৎস্য মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রমজানে ইফতার, সেহরি ও তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, গ্যাস এবং পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়কে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পবিত্র রমজান মাসে বিশ্বের অপরাপর দেশে নিত্যপণ্যের দাম কমানো হয়। আমাদের দেশে দেখা যায় এর বিপরীত চিত্র। অসাধু ব্যবসায়ীরা পবিত্র রমজান মাসে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে অতি মুনাফা লোটার জন্য ওত পেতে থাকে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অতীতের এ অরাজকতা আর চলবে না। অতি মুনাফা লাভের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

সর্বশেষ গতকাল পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট— নতুন সরকার গঠনের ১০ দিনের মাথায় কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে জানান, শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতের কৃষকেরা এ সুবিধা পাবেন। এ সিদ্ধান্তের ফলে মওকুফ হবে মোট ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। এতে প্রায় ১২ লাখ কৃষক সুফল পাবেন। ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ নেওয়ার পর যত সুদই হোক, সুদ-আসলসহ পুরোটা মওকুফ হবে। সরকার তার নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মূল লক্ষ্য দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃ ষি খাতের মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী করা। এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা ঋণের দায় থেকে মুক্ত হতে পারবেন, যা তাঁদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ঋণের কিস্তি বাবদ যে অর্থ কৃষকের বায় হতো, সেই অর্থ তাঁরা উন্নত মানের বীজ বা আধুনিক সেচপ্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। মাথার ওপর ঋণের বোঝা না থাকায় কৃষক পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে সক্ষম হবেন। সবকিছু মিলিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের পথচলা কেবল দেশে নয়, বহির্বিশ্বেও সাড়া জাগিয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি পোস্ট থেকে জানা যায়, পাকিস্তানের বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় বলা হচ্ছে, সে দেশের সরকার তাদের সবচেয়ে বড় জাতীয় ইভেন্ট পাকিস্তান ডে প্যারেডে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। ১৯৪০ সালে লাহোরে শেরেবাংলা একে ফজলুল হক কর্তৃক উত্থাপিত লাহোর প্রস্তাব পেশ করার দিন উপলক্ষে এই দিবস উদযাপিত হয়। এটি পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় উৎসবগুলোর একটি। পাকিস্তানের সকল ক্ষেত্রের সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ এই উৎসবে উপস্থিত থাকেন। এছাড়াও অনেক বিদেশি অতিথিকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

সন্দেহ নেই, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার যেভাবে পথচলা শুরু করেছে তা দেশের জনগণের মধ্যে নতুন করে এক জাগরণ সৃষ্টি করেছে। পরিশেষে সরকারের সর্বাত্মক সাফল্য কামনা।

লেখক: সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠক। সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, বিএনপি। সাবেক সভাপতি, জাতীয়তাবাদী সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংস্থা- জাসাস

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status