ঢাকা-১১: নাহিদ ইসলামের সঙ্গে ধানের শীষের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Thursday, 12 February, 2026, 7:45 PM
ঢাকা-১১: নাহিদ ইসলামের সঙ্গে ধানের শীষের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। রাজধানীর রামপুরা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র একরামুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুটি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, বিএনপি এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর মধ্যে সমানে সমান লড়াই চলছে। ঢাকা-১১: নাহিদ ইসলামের সঙ্গে ধানের শীষের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইয়ুম এবং ১১ দলীয় জোটের হয়ে শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নাহিদ ইসলাম।
রামপুরা একরামুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ধানের শীষের প্রার্থী এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৪৬৬ ভোট এবং শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম পেয়েছেন ৩৩৮ ভোট।
এছাড়া রামপুরা একরামুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে ঠিক উল্টো চিত্র দেখা গেছে। এখানে ধানের শীষকে পেছনে ফেলে এগিয়ে রয়েছে শাপলা কলি। এ আসনে শাপলা কলি ৭১৩ পেয়েছে ভোট এবং ধানের শীষ পেয়েছে ৪৩০ ভোট।
রামপুরার এই দুটি কেন্দ্রের মোট ফলাফল যোগ করলে দেখা যায়, নাহিদ ইসলাম ১০৫১ ভোট পেয়ে এম এ কাইয়ুমের চেয়ে ১৫৫ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। কাইয়ুম ৮৯৬ ভোট পেয়ছেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর দেশজুড়ে কেন্দ্রভিত্তিক ভোট গণনা চলছে।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরের দিন শুক্রবার সকালে সারা দেশ থেকে আসা ফলাফল গণনা করে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত থাকায় আজ ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন। ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৭৫৫ জন দলীয় এবং ২৭৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এবারের নির্বাচনে ভোটাররা সংসদ সদস্য নির্বাচনের ব্যালটের পাশাপাশি সংবিধানের আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে ‘জুলাই সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নের প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়েছেন।