|
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের উদ্যোগে রাঙামাটিতে সাংবাদিক প্রশিক্ষণ
মোঃ কামরুল ইসলাম, রাঙামাটি
|
![]() বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের উদ্যোগে রাঙামাটিতে সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও সাবেক বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম। তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো সংবাদ যেন সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না করে, সে বিষয়ে সাংবাদিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই অপসাংবাদিকতা রোধ করতে পারে।তিনি আরও বলেন, সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই করা সাংবাদিকদের নৈতিক দায়িত্ব। সাংবাদিকতার নীতিমালা ও প্রেস কাউন্সিল আইন যথাযথভাবে অনুসরণ করলে গণমাধ্যমের প্রতি জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। অপসংবাদিকতা সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, যা গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। প্রধান অতিথি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনকালীন সংবাদ পরিবেশনের প্রতিটি ধাপ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। তাই সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল, সচেতন ও পেশাগত নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে কাজ করতে হবে।কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব (উপ-সচিব) মো. আব্দুস সবুর। তিনি নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতার আচরণবিধি, আইনগত সীমাবদ্ধতা, গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধ, তথ্য যাচাইয়ের কৌশল এবং ন্যায্য সংবাদ পরিবেশনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাঙামাটি জেলার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রাকিব, পিপিএম বলেন, ভুল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ব্যাহত করতে পারে। তাই সাংবাদিকদের আরও সতর্ক, দায়িত্বশীল ও সত্যনিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পাশাপাশি গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক রাহুল বণিক। কর্মশালার শেষে অংশগ্রহণকারী ৫০ জন সাংবাদিকের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। এ সময় প্রশিক্ষকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াবে এবং নির্বাচনকালীন সময়ে তারা আরও সচেতন, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীলভাবে সংবাদ পরিবেশন করতে পারবেন। একজন প্রশিক্ষণার্থী সাংবাদিক বলেন, আজকের প্রশিক্ষণ আমার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অপসংবাদিকতা প্রতিরোধ, তথ্য যাচাই এবং সাংবাদিকতার নীতিমালা সম্পর্কে যা শিখেছি, তা আমার ভবিষ্যৎ প্রতিবেদনে বড় ভূমিকা রাখবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
