|
হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট-পরবর্তী কি কোনো সমস্যা হতে পারে?
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট-পরবর্তী কি কোনো সমস্যা হতে পারে? অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন অনেকে। শেষমেশ যখন টাকের পরিধি বাড়তে শুরু করে, তখন টনক নড়ে। কোনো উপায় না পেয়ে অগত্যা চুল প্রতিস্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেন। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট কিন্তু এক ধরনের অস্ত্রোপচার। তার কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। তাই প্রতিস্থাপনের আগে সেই সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো। সোয়েলিং, পাফিনেস হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করানোর পর মাথা, কপাল ও মুখের চারপাশ ফুলে থাকা অস্বাভাবিক নয়। কারো কারো ক্ষেত্রে চোখ, এমনকি গাল পর্যন্ত ফুলে থাকে। তবে তা সাময়িক। এক-দুই দিন পর স্ক্যাল্প আবার স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসে। খুব বেশি হলে ফোলাভাব সপ্তাহখানেক ভোগাতে পারে। যন্ত্রণা চুল প্রতিস্থাপনের এই প্রক্রিয়াটি অ্যানেস্থেসিয়া দিয়েই করা হয়। তবে সেই রেশ কেটে গেলে শুরু হয় আসল যুদ্ধ। অসংখ্য মৌমাছি একসঙ্গে হুল ফোটালে যেমন ব্যথা-যন্ত্রণা হয়, ঠিক তেমন অনুভূতি হতে পারে। তবে সবার ক্ষেত্রে একই রকম কষ্ট হয় না। ব্যক্তিবিশেষে তা কম-বেশি হতে পারে। শক লস হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করার ২-৬ সপ্তাহ পর হঠাৎ চুল ঝরার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। এমনকি প্রতিস্থাপন করা চুলও ঝরে যায়। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, তা নিয়ে চিন্তার কারণ নেই। চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘শক লস’। মাস তিনেক পর থেকে ধীরে ধীরে ওই জায়গায় আবার নতুন চুল গজাতে শুরু করে। স্ক্যাল্প ইরিটেশন মাথার খুশকি হলে কিংবা স্ক্যাল্প স্পর্শকাতর হলে সারাক্ষণই অস্বস্তি হয়। চুল প্রতিস্থাপন করার পর সেই অস্বস্তি দশগুণ বেড়ে যেতে পারে। তার ওপর যদি ক্ষতস্থানে ঘাম, ধুলা-ময়লা জমে, তাহলে তো কথাই নেই। অস্ত্রোপচারের ক্ষত শুকানোর সময়ে যেমন চামড়ায় টান ধরে, সুড়সুড় করে, অস্বস্তি হয়—তেমন অনুভূতি হতে পারে এ ক্ষেত্রেও। ক্ষত, ঘা মাথার ত্বকের যে অংশ থেকে ফলিকল তুলে নেওয়া হয়, সেখানে ক্ষত হওয়া স্বাভাবিক। আর্দ্র আবহাওয়ায় চট করে ক্ষত শুকাতে চায় না। সংক্রমণ হওয়ার ভয় তো থাকেই। বাইরে বের হলেও অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হয়। নয়তো সহজে ঘা শুকায় না।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
