|
বাগমারায় বাড়িতেই ইয়াবার আসর, তৃতীয় স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার সাবেক ইউপি সদস্য
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() বাগমারায় বাড়িতেই ইয়াবার আসর, তৃতীয় স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার সাবেক ইউপি সদস্য গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আবেদ আলী (৫৫) এবং তার তৃতীয় স্ত্রী মাসুরা নাসরিন। আবেদ আলী উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের মৃত ওসির আলী মোল্লার ছেলে। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগমারা থানা পুলিশের একটি দল তাদের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় ওই দম্পতিকে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পরে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৫৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই আবেদ আলীর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদকসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল। তাদের দাবি, এলাকায় মাদক বিস্তারে এই পরিবারের ভূমিকা রয়েছে এবং যুবসমাজ ধীরে ধীরে মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছিল। এলাকাবাসী আরও জানান, উপজেলার তালতলী ব্রিজসংলগ্ন নদীর ধারে সন্ধ্যার পর নিয়মিত মাদক কেনাবেচা ও সেবনের আসর বসে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ওই এলাকা হিরোইন, ফেনসিডিল, গাঁজা ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের নিরাপদ বিক্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। মাদকসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এলাকায় প্রতি পিস ইয়াবা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া গাঁজা প্রতি পুরিয়া ১০০ টাকা, হিরোইন ২০০ থেকে ২৫০ টাকা এবং ফেনসিডিল দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ ও চাহিদার ওপর ভিত্তি করে এসব মাদকের দাম ওঠানামা করে বলেও জানা গেছে। বিশেষ করে ঈদ ও পূজার সময় মাদকের চাহিদা আরও বেড়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাংলা মদ, গাঁজা ও অন্যান্য মাদক সহজেই পাওয়া যায়। সন্ধ্যার পর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় নিয়মিত মাদকসেবীদের আড্ডা বসে, যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। সচেতন মহলের মতে, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান নয়, মাদক প্রতিরোধে পরিবার, সমাজ ও জনপ্রতিনিধিদেরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন তারা। বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
