|
কক্সবাজারে পর্যটন সেবার উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টুরিস্ট পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
রোমানা আক্তার, কক্সবাজার
|
![]() কক্সবাজারে পর্যটন সেবার উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টুরিস্ট পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সভায় পর্যটন-সম্পৃক্ত ব্যবসায়ী নেতা, সাংবাদিক, ফ্ল্যাট ও হোটেল মালিক, পর্যটন উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন স্টেকহোল্ডাররা অংশ নেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টুরিস্ট পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ মাইনুল হাসান (বিপিএম, এনডিসি)। অতিরিক্ত আইজিপি মাইনুল হাসান তার বক্তব্যে দেশের পর্যটন খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, টুরিজম খাত এখন জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম বড় শক্তি। প্রতি বছর কোটি পর্যটক দেশের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে আসেন, আর তাদের নিরাপত্তা ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে টুরিস্ট পুলিশ শুরু থেকেই নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। তিনি জানান, ২০১৩ সালে টুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে আমরা ৩২টি জেলায় ১৩০টির বেশি পর্যটন স্পটে নিরাপত্তা ও সেবা প্রদান করছি। এই সেবা আরও সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের জন্য আমরা নিয়মিত কাজ করছি। কক্সবাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কক্সবাজার শুধু বাংলাদেশের নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে সম্ভাবনাময় পর্যটন নগরী। এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা, পরিবেশ রক্ষা, সেবার মান বৃদ্ধি এবং পর্যটকদের আস্থা শক্তিশালী করতে হবে। এজন্য হোটেল-রিসোর্ট মালিক, ফ্ল্যাট ব্যবসায়ী, পরিবহনখাত, সাংবাদিক ও স্থানীয় প্রশাসন সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। সভায় বক্তব্য দেন টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের ডিআইজি আপেল মাহমুদ। তিনি পর্যটন খাতকে অব্যবস্থাপনা ও সিন্ডিকেটের কবল থেকে মুক্ত রাখতে কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমরা চাই, কক্সবাজারে আসা প্রতিটি পর্যটক যেন মনে করেন-এই শহর তাদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ। তাদের পরিবার ও সন্তানরা যেন নির্ভয়ে সমুদ্রসৈকত ঘুরে দেখতে পারে। টুরিস্ট পুলিশের প্রতিটি সদস্য দিন-রাত পরিশ্রম করছেন সেই আস্থা তৈরি ও ধরে রাখার জন্য। সাংবাদিকদের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা দেশের পর্যটন খাতের চোখ ও কান। আপনারা গঠনমূলক সংবাদ তুলে ধরে পর্যটনকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। কোনো অনিয়ম বা দুর্ব্যবস্থাপনা দেখলে আমাদের জানান, অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভায় কক্সবাজারের পর্যটন ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে পর্যটন খাতের নানা সমস্যা, সম্ভাবনা ও সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। তারা পর্যটন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা এবং সমন্বয়ের ওপর জোর দেন। সভায় উপস্থিত সবাই আশা প্রকাশ করেন, টুরিস্ট পুলিশ, ব্যবসায়ী নেতা, সাংবাদিক ও প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কক্সবাজার আরও শৃঙ্খলাপূর্ণ, নিরাপদ ও আন্তর্জাতিকমানের পর্যটন শহরে পরিণত হবে। তাদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে দেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার শুধু দেশীয় নয়, আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছেও আরও আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে উঠে আসবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
বাগমারায় ১০০ দিনে অপরাধ দমনে সক্রিয় ওসি জিল্লুর রহমান
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে সরকারি রাস্তা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ২ এবং ১১ জন আটক
পাইকগাছায় ভেঙে পড়েছে কমিউনিটি ক্লিনিক: প্রাথমিক বিদ্যালয় কক্ষে চলছে স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম!
ফুলবাড়ীয়ায় কৃষি প্রণোদনা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, উপকারভোগীর তালিকা নিয়েও প্রশ্ন
