ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ৫ মে ২০২৬ ২২ বৈশাখ ১৪৩৩
সাতলায় প্রতিটি ঘেরের পাড় খাচ্ছে মাছ, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি–পুকুর মালিকরা, সমাধানের দাবিতে ক্ষোভ স্থানীয়দের
এ এইচ অনিক
প্রকাশ: Thursday, 20 November, 2025, 8:19 PM

সাতলায় প্রতিটি ঘেরের পাড় খাচ্ছে মাছ, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি–পুকুর মালিকরা, সমাধানের দাবিতে ক্ষোভ স্থানীয়দের

সাতলায় প্রতিটি ঘেরের পাড় খাচ্ছে মাছ, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি–পুকুর মালিকরা, সমাধানের দাবিতে ক্ষোভ স্থানীয়দের

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নে মাছের ঘেরগুলোর পাড় ক্ষয় হয়ে ব্যাপক ভাঙনের শিকার হচ্ছে স্থানীয় বাড়ি ও পুকুরের মালিকরা। মাটি খেকো প্রজাতির মাছ চাষের কারণে এই ক্ষয় দেখা দিচ্ছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের। এতে বছরজুড়ে নানা ধরনের সমস্যায় পড়ছেন স্থানীয় বহু পরিবার।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েক বছরে সাতলায় বাণিজ্যিক মাছচাষে লাভবান হয়েছেন অনেক চাষি। তবে অতি মুনাফার আশায় তারা গ্রাস, কাব, রুই, কাতলা, মিরকা সহ সাদা জাতের মাটি খেকো মাছ ঘেরে ছাড়ছেন। এসব মাছ ঘেরের পাড় থেকে শুরু করে পাশের বাড়িঘর, পুকুর–বিলের পাড় পর্যন্ত খেয়ে ফেলছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বহু জমি–বাড়ির মালিক, বিশেষ করে যারা প্রবাস জীবনের কষ্টার্জিত অর্থে ছোট ছোট ভিটে গড়ে তুলেছেন।

আলামদি গ্রামের প্রবাসী মোঃ ইকবাল মোল্লা বলেন, “প্রবাস জীবনের কষ্টে সামান্য জমি কিনে মাথা গোঁজার ঠাঁই বানিয়েছিলাম। কিন্তু গত দুই–তিন বছরে ঘেরের এসব মাছ আমার বাড়ির পাড় খেয়ে ফেলেছে। মৎস্যচাষীদের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোনো সমাধান পাইনি। বরং নানা ধরনের লাঞ্ছনার শিকার হয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের আপত্তি মাছচাষে নয়। কিন্তু বাড়ি ও পুকুরের চারপাশে নেট ও পাইলিংয়ের সঠিক ব্যবস্থা না করে ঘের ভরাট করে মাছ ছাড়লে আমাদের মতো সাধারণ মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এভাবে সাতলার বহু বাড়ি–পুকুর ও এমনকি সরকারি রাস্তা–খালও ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।”

স্থানীয়রা জানান, এসব ঘেরে মাছ চাষের কারণে দরিদ্র মৎস্যজীবীরাও বিপাকে পড়েছেন। আগে তারা জাল ও বরশি দিয়ে বিল থেকে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈধ–অবৈধভাবে দখল করে নেওয়া এসব ঘেরের কারণে তারা বেকার হয়ে পড়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, সঠিক সমাধান ছাড়া ভবিষ্যতে এসব ঘেরে মাছ ফেলতে দেওয়া হবে না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, “যেসব এলাকায় এ ধরনের সমস্যা রয়েছে, সেখানে স্থানীয় জমির মালিক ও ঘেরচাষীদের সঙ্গে আলোচনা করে সুষ্ঠু সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status