|
নীলফামারীতে শ্রমিক হত্যার বিচারের দাবিতে গাজীপুরে বিক্ষোভ
ফাহিম ফরহাদ, গাজীপুর
|
![]() নীলফামারীতে শ্রমিক হত্যার বিচারের দাবিতে গাজীপুরে বিক্ষোভ শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় গাজীপুরা ২৭ নম্বর বালুর মাঠ থেকে মিছিলটি বের হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সমবেত হয়। শ্রমিক নেতারা জানান, উত্তরবঙ্গের নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের এভারগ্রীন লিমিটেডে হঠাৎ করে প্রায় ৫০ জন শ্রমিককে ছাঁটাই করে। এ ঘটনায় স্থানীয় শ্রমিকরা আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনে যোগ দেন ইকো কারখানার শ্রমিক হাবিবও। পরবর্তীতে ন্যায্য দাবিতে আন্দোলনরত অবস্থায় তিনি নির্মমভাবে হত্যার শিকার হন। হাবিব হত্যার প্রতিবাদে গাজীপুরের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা সমবেত হয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। তারা হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিহত হাবিবের পরিবারকে আজীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান। সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, শ্রম অসন্তোষ নিরসনে সরকার কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ফলে শ্রমিকদের জীবন প্রতিদিন ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় একের পর এক শ্রমিককে প্রাণ দিতে হচ্ছে বলেও তারা মন্তব্য করেন। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন--বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের গাজীপুর মহানগর সভাপতি শফিউল আলম, বাংলাদেশ পোশাক শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের নেতা কবির হোসেন, একই সংগঠনের টঙ্গী আঞ্চলিক নেতা মাজহারুল এবং বাংলাদেশ ট্রাস্ট শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা দেলোয়ার সরকার। অন্যদিকে, গাজীপুরের টঙ্গীর সাতাইশ এলাকায় অবস্থিত সিজন্স ড্রেসেস লিমিটেড ও মিফকিফ লিমিটেড হঠাৎ করে গত ২৮ মে বেআইনিভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। শ্রমিকরা বারবার প্রতিষ্ঠান দু'টি পুনরায় চালু ও বকেয়া পরিশোধের দাবি জানালেও মালিকপক্ষ কোনো সাড়া দেয়নি। নেতৃবৃন্দ জানান, সিজন্স ড্রেসেস লিমিটেড শ্রমিকদের বকেয়া ১০, ৯৪, ১৯, ৬২৭ টাকা এবং মিফকিফ লিমিটেডের বকেয়া ৪, ২৪, ৫৪, ৬৩৪ টাকা। মোট বকেয়া দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ২১ লাখ টাকা। দ্রুত বকেয়া পরিশোধ না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
