ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১৫ মে ২০২৬ ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যদি লেগেই যায়, তবে এই ১০টি দেশ হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Tuesday, 24 June, 2025, 2:56 PM

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যদি লেগেই যায়, তবে এই ১০টি দেশ হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যদি লেগেই যায়, তবে এই ১০টি দেশ হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ

ইসরায়েল ও ইরানের পালটাপালটি আক্রমণের মধ্যে, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা ক্রমশ বাড়ছে, যা বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মাঝে বিচ্ছিন্নতা, নিরপেক্ষতা বা স্বয়ংসম্পূর্ণতার কারণে বেশ কয়েকটি দেশকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত আবারও তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এর মাঝে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো এই ইসরায়েল ও ইরানের পক্ষ নিতে থাকায় সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর সামরিক বিশ্লেষক আর সাধারণ মানুষেরাও বলছেন, এভাবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ লেগে যাওয়া অমূলক নয়। আর তাতে পুরো বিশ্বের মানুষেরই নিরাপত্তা ও জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে। তবে ভৌগলিক বিচ্ছিন্নতা, নিরপেক্ষতা বা স্বয়ংসম্পূর্ণতার কারণে কিছু কিছু দেশকে অপেক্ষাকৃত বেশি নিরাপদ মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা যুদ্ধাবস্থার মাঝেও। চলুন এমন ১০টি দেশের কথা জেনে নিই।

মানচিত্রের অবস্থান  অনুসারে, পারমাণবিক যুদ্ধের ক্ষেত্রে অ্যান্টার্কটিকা সবচেয়ে নিরাপদ স্থানগুলির মধ্যে একটি হতে পারে। পৃথিবীর দক্ষিণতম অঞ্চলে বিচ্ছিন্ন অবস্থানের কারণে, এর কৌশলগত মূল্য খুব কম বা কোনও নেই। উপরন্তু, এর ৫.৪ মিলিয়ন বর্গমাইলের বিশাল ভূমি হাজার হাজার লোককে সম্ভাব্য সংঘাত থেকে আশ্রয় নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা দিতে পারে।

আইসল্যান্ড

আরেকটি সম্ভাব্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হতে পারে আইসল্যান্ড, যা পৃথিবীর অতি উত্তরে অবস্থিত। তুলনামূলকভাবে 
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যদি লেগেই যায়, তবে এই ১০টি দেশ হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যদি লেগেই যায়, তবে এই ১০টি দেশ হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ

বিচ্ছিন্ন থাকার পাশাপাশি, দেশটি বিশ্বের অন্যতম শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে স্বীকৃত এবং কখনও কোনও যুদ্ধ বা আক্রমণে অংশগ্রহণ না করার জন্য পরিচিত বলে জানা গেছে।




দক্ষিণ আফ্রিকা

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকা সম্ভাব্য নিরাপদ স্থানের তালিকায় রয়েছে। প্রচুর খাদ্য উৎস, উর্বর জমি এবং মিঠা পানির অবারিত উৎসের কারণে এটি স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি দেশ।  তাছাড়া, দক্ষিণ আফ্রিকার আধুনিক অবকাঠামোও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে নিরাপদ আবাস হিসেবে।

ফিজি

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যদি লেগেই যায়, তবে এই ১০টি দেশ হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যদি লেগেই যায়, তবে এই ১০টি দেশ হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ

ওশেনিয়ার একটি প্রত্যন্ত দ্বীপরাষ্ট্র ফিজি। এটি তার নিকটতম প্রতিবেশী অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রায় ২,৭০০ মাইল দূরে অবস্থিত। সামরিক উপস্থিতির কারণে ফিজির কৌশলগত গুরুত্ব আছে। তবে বিশ্ব শান্তি সূচকে দেশটি উচ্চ স্থানে আছে। ফিজির সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক সম্পদও একে নিরাপদ রাখতে পারে।



চিলি

৪,০০০ মাইলেরও বেশি বিস্তৃত দক্ষিণ আমেরিকান দেশ চিলি। দেশটি বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ফসল এবং প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ। দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে চিলিতেই সবচেয়ে উন্নত অবকাঠামো আছে।

আর্জেন্টিনা

পারমাণবিক যুদ্ধের পর দুর্ভিক্ষ সহ্য করে টিকে সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি এমন দেশগুলির মধ্যে আর্জেন্টিনাকে বিবেচনা করা হয়। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে প্রচুর পরিমাণে ফসলের সরবরাহ আছে বলে জানা যায়, যা পারমাণবিক বিস্ফোরণের কারণে সূর্যের আলো আটকে গেলেও উল্লেখযোগ্য খাদ্য মজুদ সরবরাহ করতে পারে।

নিউজিল্যান্ড

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যদি লেগেই যায়, তবে এই ১০টি দেশ হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যদি লেগেই যায়, তবে এই ১০টি দেশ হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কার সময়ে, নিউজিল্যান্ড এমন একটি দেশ হতে পারে যেখানে মানুষ পালিয়ে বাঁচতে পারে। গ্লোবাল পিস ইনডেক্সে দ্বিতীয় স্থানে থাকা এই দেশটির বিশ্বব্যাপী সংঘাতে নিরপেক্ষতার দীর্ঘস্থায়ী রেকর্ড রয়েছে। এর দুর্গম অবস্থান আর পাহাড়ি ভূখণ্ড সম্ভাব্য আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা দিতে পারে। এছাড়াও জানা যাচ্ছে এই দেশটি বৈশ্বিক রাডার তালিকায় নেই।


টুভালু

হাওয়াই এবং অস্ট্রেলিয়ার মাঝামাঝি অবস্থিত একটি দ্বীপ টুভালু। এখানে জনসংখ্যা মাত্র ১১,০০০। দ্বীপের দুর্বল অবকাঠামো এবং সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদ থাকায় এ নিয়ে আক্রমণকারীদের অনাগ্রহ তৈরি হতে পারে।

সুইজারল্যান্ড

দীর্ঘকাল ধরে শান্তি ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে জড়িয়ে আছে সুইজারল্যান্ডের নাম। পারমাণবিক সংঘাত সহ্য করতে পারে এমন কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচনা করা হয় একে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যুদ্ধে জড়িত না থাকা দেশটির পাহাড়ি ভূখণ্ড একে শক্তিশালী প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা দেয়।

গ্রিনল্যান্ড

বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ এবং ডেনমার্কের একটি অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড। এর দূরবর্তী অবস্থান, রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা এবং মাত্র ৫৬,০০০ জনসংখ্যার কারণে এটি কোনো বৈশ্বিক পরাশক্তির জন্য লক্ষ্যবস্তু হওয়ার সম্ভাবনা কম।

ইন্দোনেশিয়া

ইন্দোনেশিয়া, যদিও একটি ছোট দেশ, কিন্তু তারা দৃঢ়ভাবে বলেছে যে এটি বিশ্বব্যাপী সংঘাতে কোনও পক্ষের সাথে নিজেকে মেলাবে না। এর প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি, আহমেদ সুকর্ণো, দেশের পররাষ্ট্র নীতিকে মুক্ত এবং সক্রিয় হিসাবে ঘোষণা দিয়েছিলেন। এখনো তারা সে পথেই হাঁটছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status