ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ১৬ মে ২০২৬ ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
স্ত্রীর চরিত্র যাচাই করতে বন্ধুকে পাঠিয়েছিলেন পুতিন
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Saturday, 26 February, 2022, 7:11 PM

স্ত্রীর চরিত্র যাচাই করতে বন্ধুকে পাঠিয়েছিলেন পুতিন

স্ত্রীর চরিত্র যাচাই করতে বন্ধুকে পাঠিয়েছিলেন পুতিন

ইউক্রেনে সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। এর নেপথ্য নায়ক রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। প্রেসিডেন্ট হবার পূর্বে পুতিন ছিলেন কেজিবির একজন সাধারণ এজেন্ট।

পুতিনের পুরো নাম ভ্লাদিমির ভ্লাদিমিরোভিচ পুতিন। জন্ম অবিভক্ত সোভিয়েত রাশিয়ায় ১৯৫২ সালের সাত অক্টোবর, লেলিনগ্রাদে। বাবা ভ্লাদিমির স্পিরিদোনোভিচ পুতিন এবং মা মারিয়া ইভানোভা সেলোমাভো। পুতিনের বাবা সোভিয়েত ইউনিয়নের নৌবাহিনীতে ছিলেন।

পুতিন তার জীবনীতে লিখেছেন, তিনি অত্যন্ত সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি সাধারণ মানুষের মতো জীবন-যাপন করেছেন।

প্রবেশিকা ও মাধ্যমিক স্কুলে পড়ার সময় পুতিন জুডোতে অংশ নিয়েছিলেন। জানা যায়, জুডো শেখার ব্যাপারে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল সিনেমার এজেন্টের চরিত্ররা। পুতিন একজন ব্ল্যাকবেল্ট হোল্ডার। সাম্বোতে রাশিয়ার মার্শাল আর্টের মাস্টার। জার্মান ভাষায় অত্যন্ত দক্ষ।

সেই সময় জুডো-ক্যারাটে খেলোয়াড়দের দিকে নজর রাখছিল রুশ গুপ্তচর সংস্থা কেজিবি। তবে ছোটবেলা থেকে রাশিয়ার গোয়েন্দা চরিত্র স্টিয়ারলিটজের দ্বারা অনুপ্রাণিত ভ্লাদিমিরের নিজেরও গুপ্তচর সংস্থায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছে ছিল। ১৯৭৫ সালে তিনি কেজিবি-তে যোগ দেন।

১৯৯০ সাল পর্যন্ত সেখানে কাজ করতেন আজকের রুশ প্রেসিডেন্ট। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর তিনি ক্রেমলিনের কর্মী হিসাবে নিযুক্ত হন।

গুপ্তচরদের পক্ষে একজন যে কোন সাধারণ মানুষকে বিয়ে করে সংসার করা মুখের কথা না। গুপ্তচরদের সব সময়ই প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। নিজের কাজ সম্পর্কে বলা যায় না পরিবারের সদস্যদেরও। গুপ্তচরদের সন্দেহের তালিকায় থাকেন সকলেই। নিজের সঙ্গী বা সঙ্গিনীকেও বিশ্বাস করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

এমনটাই ঘটেছিল ভ্লাদিমিরের সঙ্গেও। কিন্তু তার সেই পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হন তার স্ত্রী লুদমিলা পুতিনা। প্রেম করার সময়ে লুদমিলাকে নিজের কর্মজীবন সম্পর্কে কিছুই জানাননি ভ্লাদিমির। কেজিবি-র বিষয়ে লুকিয়ে গিয়ে বলেছিলেন, তিনি পুলিশে কাজ করেন।

সন্দেহের বশে লুদমিলা-র চরিত্রও পরখ করে দেখেন পুতিন। প্রেমিকার চরিত্র যাচাই করতে লুদমিলা-র কাছে নিজের এক বন্ধুকে পাঠিয়েছিলেন ভ্লাদিমির। নিজেকে বড়লোক বলে জাহির করা ওই বন্ধু ভ্লাদিমিরের কথায় লুদমিলাকে প্রেমের প্রস্তাবও দেন। তবে লুদমিলা সাফ জানিয়ে দেন, তার এক জন ‘পুলিশ’ প্রেমিক আছে এবং তিনি তাকেই বিয়ে করতে চান।

এর পরই আর দেরি করেননি পুতিন। বুঝে গিয়েছিলেন, লুদমিলাই সঠিক জীবনসঙ্গী। ১৯৮৩ সালে বিয়ে করে নিজেদের দাম্পত্য জীবন শুরু করেন ভ্লাদিমির- লুদমিলা। এই ভ্লাদিমির পুতিনই এখন বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর দেশের প্রেসিডেন্ট হেসেবে পরিচিত।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status