|
পরিশ্রমে অনীহা আড়ালে চট্টগ্রামের ক্রিকেট-প্রতিভা
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() পরিশ্রমে অনীহা আড়ালে চট্টগ্রামের ক্রিকেট-প্রতিভা চট্টগ্রাম শহরে প্রায় ৫০টির মতো একাডেমি। খেলার মাঠ মাত্র একটি। মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের মাঠ। ওই মাঠ ঘিরে ছয়টি একাডেমি। ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন যারা দেখে, তাদের একটি বড় অংশ নিু আয়ের পরিবারের। যারা সচ্ছল পরিবারের তারা শুধু ব্যাটিং করতে আগ্রহী। পরিশ্রম করতে চায় না তারা। বোলারদেরও অধিকাংশ অসচ্ছল পরিবার থেকে আসা। মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের মাঠে সাবেক ক্রিকেটার আফতাব আহমেদের একাডেমি। সেখানে ইস্পাহানী ক্রিকেট একাডেমি যার সভাপতি মিনহাজুল আবেদীন। বেশ কিছু একাডেমি পরিচালনা করেন সংগঠক আলহাজ আলী আব্বাস, আ জ ম নাছির উদ্দিন, সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর। তারা স্থানীয় ক্রিকেট এগিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের কিউরেটর জাহিদ রেজা। চট্টগ্রাম থেকে কেন শুধু ব্যাটসম্যান বেরিয়ে আসছে এমন প্রশ্নের জবাবে জাহিদ রেজা বলেন, ‘আমার মনে হয় ছেলেরা পরিশ্রম কম করতে চায়। বোলিংয়ের চেয়ে তারা শুধু ব্যাটিংটাই পছন্দ করে। তবে প্রতিভা অনেক আছে।’ এক স্থানীয় কোচ জানালেন, অধিকাংশ একাডেমি শুধুই ব্যবসা করে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কোচ বলেন, ‘আমিও কোচ তাই বলতে মুখে বাঁধে। আমি এই পেশা ছাড়তে চেয়েছিলাম। ছেলেদের অনুরোধে পারি না। যারা কোচিং করায় তাদের জ্ঞান ও জানাশোনা শুনলে কষ্ট হয়। ব্যবসা ছাড়া এখানে আর কিছুই হয় না।’ আফতাব আহমেদের একাডেমির কার্যক্রম অনেক গোছানো। তার ভাষায়, ‘আমি ক্যারিয়ারে যে ভুল করেছি সবাই তা জানে। নিজের ফিটনেস ঠিক রাখার চেষ্টা করিনি। ছেলেদের দিয়ে সেই আশা পূরণ করতে চাই।’ |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
