ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ২৫ মে ২০২৬ ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কোরবানির হাট কাঁপাতে যাচ্ছে টাঙ্গাইলের মানিক-রতন
এম কবির, টাঙ্গাইল
প্রকাশ: Thursday, 15 July, 2021, 4:09 PM

কোরবানির হাট কাঁপাতে যাচ্ছে টাঙ্গাইলের মানিক-রতন

কোরবানির হাট কাঁপাতে যাচ্ছে টাঙ্গাইলের মানিক-রতন

মানিক-রতন নাম তাদের । না এই নাম কোন মানুষের নয়। মানিক-রতন দুটি গরুর নাম। ৩৬ ও ৩৫ মণ ওজনের এই দুটি গরুর নাম রেখেছেন হামিদা আক্তার নামের এক নারী । দেশীয় পদ্ধতিতে লালন-পালন করা বিশালাকৃতির গরু দুটি লালন-পালন করে বড় করে তুলেছেন টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার সীমান্তবর্তী গাজুটিয়া-সিঙ্গুরিয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হামিদ আলীর অনার্স পড়–য়া কন্যা হামিদা আক্তার। জেলার সবচেয়ে বড় দুটি গরু দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ ভীড় করছেন তাদের বাড়িতে।

এবারের ঈদুল আজহায় বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে কোরবানির হাট কাঁপাতে আচ্ছে মানিক-রতন। গরু দুটি এবারের কোরবানির হাটে বিক্রি করে নিজেস্ব একটি খামার তৈরি করার স্বপ্ন দেখছেন দুই গরুর মালিক হামিদা আক্তার। তবে তিনি চিন্তায় রয়েছেন করোনা ভাইরাসের প্রকোপের কারণে ন্যায্য দাম নিয়ে। তিনি ৩৬ মণ ওজনের মানিকের দাম চাচ্ছেন ১৪ লাখ টাকা আর ৩৫ মণ ওজনের রতনের দাম চাচ্ছেন ১৩ লাখ টাকা।

মানিক-রতনের আয়েশি চলন-বলন আর খাবারের পসরা দেখেই মনে হবে যেন এক বিশাল রাজকীয় ব্যাপার। মানিক-রতনের সবচেয়ে প্রিয় খাবার হচ্ছে মিষ্টি আলু ও কলা। জানা যায়, হামিদা তার পরিবারের সদস্যদের মতো অতিযতেœ চার বছর যাবত লালন-পালন করছেন অস্ট্রেলিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড় দুটিকে। যেহেতু তাদের বাড়িতেই ষাঁড় দুটির জন্ম। এজন্য আদর করে তাদের নামও রেখেছেন মানিক-রতন। তবে নামের সঙ্গে ষাঁড় দুটির, খাবার দাবার ও আচার-আচরণেও রয়েছে বেশ মিল।

তাদের থাকার ঘরে রয়েছে দুটি সিলিং ফ্যান আর মশারী। তাদের নিয়মিত খাবারের তালিকায় রয়েছে খড়, ভুষি, কাঁচা ঘাস, মালটা, পেয়ারা, কলা, মিষ্টি কুমরা ও মিষ্টি আলু। রোগ জীবানুর হাত থেকে বাঁচতে প্রতিদিন তাদেরকে সাবান ও শ্যাম্পু দিয়ে গোসল করানো হয়। তাদের প্রতিদিন দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষজন আসছেন। আর খামার করার পরামর্শ নিচ্ছেন।

হামিদা বেগম বলেন, মানিক-রতনকে আমরা চার বছর যাবত লালন-পালন করে আসছি। গত বছরও কোরবানির হাটে বিক্রি করিনি। তাদেরকে অতি যতেœ লালন-পালন করেছি। নাম ধরে ডাকলে মাথা ও কান নাড়িয়ে সাড়া দেয়। যেহেতু সারাদেশে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন চলছে সেজন্য এর ন্যায্য মূল্য নিয়ে শঙ্কিত। আমরা বাড়ি থেকেই তাদের বিক্রি করার চেষ্টা করছি। সেক্ষেত্রে আমরা নিজ খরচে তাদের বাড়ি পৌছে দিব।

নাগরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডাক্তার সোহেল রানা বলেন, আসন্ন কোনবানির ঈদকে সামনে রেখে বেশকয়েকজন খামারি কিছু বড় ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন। তার মধ্যে গাজুটিয়া এলাকার হামিদ মাস্টারের মানিক-রতন অন্যতম। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতি অবলম্বন করে ষাঁড়দুটি ঈদুল আজহার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন ন্যায্য মূল্য পেলে খামার মালিকরা উপকৃত হবেন।

আর করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের মাধ্যমে আমরা অনলাইন কোরবানির হাট নাগরপুর নামে একটি পেজ খুলেছি। তার মাধ্যমেও খামারীরা তাদের গরু-ছাগর বিক্রি করতে পারবে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status