|
নিকটাত্মীয়ের মধ্যে বিবাহ: খুব সতর্ক থাকা উচিত
ডাঃ সাঈদ সুজন
|
|
নিকটাত্মীয়ের মধ্যে বিবাহ: খুব সতর্ক থাকা উচিত নিকটাত্মীয়ের মধ্যে বিয়ের কারণে সন্তানের যেসব ঝুঁকি বাড়ে তা হলো: ১. গর্ভপাত, মৃত সন্তান প্রসব ২. শারীরিক ত্রুটি সংবলিত শিশুর জন্ম স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ গুণ বেশি হয় । ৩. প্রথম বছর বয়সে শিশুর অস্বাভাবিক মৃত্যু । ৪. হঠাৎ অজানা কারণে শিশুমৃত্যু । ৫. যথাযথভাবে শিশু বৃদ্ধি না হওয়া । ৬. শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা। ৭. মৃগী রোগ । ৮.নানা রকমের রক্তরোগ যেমন- থ্যালাসিমিয়া, সিকল সেল ডিজেজ, সিস্টিক ফাইব্রোসিস ইত্যাদি। বাংলাদেশে এমনিতেই থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক বেশি, হিমোগ্লোবিন ই ডিজিজের বাহকও কম নয়। নিকটাত্মীয়ের বিয়েতে এ ধরনের রোগ নিয়ে সন্তান জন্ম নেওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়। যুক্তরাজ্যের ব্র্যাডফোর্ড শহরে বসবাসকারী পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা যায়, নিকটাত্মীয়ের মধ্যে বিয়ের ফলে জন্মগ্রহণকারী সন্তানের জীনগত অস্বাভাবিকতার হার এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি সাধারণ শিশুদের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি। যেসব পরিবারে জন্মগত বিভিন্ন রোগের ইতিহাস আছে, সেখানে আত্মীয় বিয়ের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকা উচিত। ধন্যবাদ । ডাঃ সাঈদ সুজন মেডিকেল স্কলার গ্রুপের সৌজন্যে |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
