|
'৪৯তম জাতীয় অ্যাথলেটিক্সে খাগড়াছড়ি'র হানজালা সানি
মোঃ মোবারক হোসেন,খাগড়াছড়ি
|
![]() '৪৯তম জাতীয় অ্যাথলেটিক্সে খাগড়াছড়ি'র হানজালা সানি প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উঠে এসে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় নিজের অবস্থান তৈরি করায় স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে বইছে আনন্দের সুবাতাস। ক্রীড়াপ্রেমীরা মনে করছেন, সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও হানজালা সানির এই অর্জন পাহাড়ি অঞ্চলের তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী ও অনুপ্রাণিত করবে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি গভীর অনুরাগ ছিল হানজালা সানির। নিয়মিত অনুশীলন, কঠোর পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে নিজেকে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করেন। তার এই সাফল্য কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং দীঘিনালার তরুণ সমাজের জন্য এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছে। হানজালা সানির এই অর্জনে অভিনন্দন জানিয়েছে দীঘিনালা উপজেলা প্রশাসন।উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা তানজিল পারভেজ বলেন,“প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উঠে এসে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গর্বের বিষয়। হানজালা সানির এই অর্জন দীঘিনালার তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে সে আরও বড় সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে দেশ ও জেলার মুখ উজ্জ্বল করবে।” এদিকে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন,“হানজালা সানির জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ দীঘিনালার ক্রীড়াঙ্গনের জন্য অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ। তার এই অর্জন প্রমাণ করে, সুযোগ ও সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে পাহাড়ি অঞ্চলের তরুণরাও জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম।” তিনি আরও বলেন, “আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি এবং আশা করছি, আগামী দিনে সে আরও বড় অর্জনের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।” হানজালা সানির এই সাফল্যে দীঘিনালাসহ পুরো খাগড়াছড়িতে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তার এই অর্জনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের মাধ্যমে তিনি পাহাড়ের সম্ভাবনাকে জাতীয় পর্যায়ে আরও উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরবেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
