ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১৫ মে ২০২৬ ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মিনুর মৃত্যুর পর বড় ছেলের খোঁজ মিলেছে
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Monday, 12 July, 2021, 8:42 PM

মিনুর মৃত্যুর পর বড় ছেলের খোঁজ মিলেছে

মিনুর মৃত্যুর পর বড় ছেলের খোঁজ মিলেছে

হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির পরিবর্তে কারাগারে ৩ বছর বন্দী থাকার পর মুক্তি পাওয়া সেই মিনুর রহস্যজনক মৃত্যুর পর থেকে নিখোঁজ তার বড় ছেলে ইয়াছিন (১২) খোঁজ মিলেছে।  

সোমবার (১২ জুলাই) বিকেলে বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মিনুকে বিনা খরচে আইনি সহায়তা দেওয়া আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ।
বর্তমানে ইয়াছিন নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জের কিশোর কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে রয়েছে।  

মিনুর ভাই রুবেল বাংলানিউজকে বলেন, মিনুর বড় ছেলে ইয়াছিনের খোঁজ পাওয়া গেছে। সে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জের কিশোর কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে রয়েছে। বায়েজিদ থানার এসআই খোরশেদ স্যার থানায় যেতে বলেছিলেন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বায়েজিদ থানায় গিয়েছিলাম। সেখানে ওসি স্যারের মোবাইল থেকে ইয়াছিনের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা হয়েছে।  

জানা গেছে, গত ৪ এপ্রিল আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের নিচ থেকে ইয়াসিন, ফয়সাল, বেলাল ও সাগর নামে চার পথশিশুকে গাম খেয়ে নেশা করায় গ্রেফতার করে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ। গত ৫ প্রপ্রিল আদালতে হাজির করা হলে আদালত জাতীয় কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠালে সেখানে বালিকা হওয়াতে ফেরত পাঠানো হয়। বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে আদালত পুনরায় সিদ্ধিরগঞ্জের কিশোর কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন।  

গোলাম মাওলা মুরাদ বলেন, ছেলে ইয়াছিনকে খুঁজতে বের হয়ে নিখোঁজ হন মিনু। মিনুর মৃত্যু হয়েছে, তাকে আর ফিরিযে আনা যাবে না। বিনা অপরাধে মিনুর পরিবার ধ্বংস হয়ে গেল। এ ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত ঘটনার গভীরে যাওয়া উচিত। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।  

কয়েকবছর যাবত নগরের ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশনে একটি দোকানে চাকরি করত ইয়াছিন। সর্বশেষ মঙ্গলবার (৬ জুলাই) সকালে ভাগনেকে খুঁজতে ষোলশহরের ওই দোকানে যান মামা। কিন্তু দোকানটি ভেঙে ফেলায় খোঁজ পাননি কারও।

এর আগে গত ২৮ জুন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার পর ‘অজ্ঞাত’ হিসেবে মিনুর মরদেহ দাফন করা হয়। ট্রাকচাপায় মিনু আক্তারের মৃত্যুকে অস্বাভাবিক দাবি করেন গোলাম মাওলা মুরাদ।
 
মিনুর মৃত্যুকে ঘিরে জন্ম নিয়েছে নানা প্রশ্নের। গত কয়েকদিন আগে মেরিন সিটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অজ্ঞাত রোগী রেখে যুবকের পালিয়ে যাওয়ার তথ্য গণমাধ্যমকে দেন বায়েজিদ থানা ও চমেক পুলিশ ফাঁড়ি। কিন্তু ভোরে সড়ক দুর্ঘটনায় মিনুর মৃত্যু হলেও এ ব্যাপারে গণমাধ্যমে কোনো তথ্য দেননি চমেক পুলিশ ফাঁড়ি ও বায়েজিদ থানা। এ ছাড়া অজ্ঞাত মরদেহের বিষয়ে সিএমপির জনসংযোগ বিভাগ থেকেও কোনা তথ্য দেওয়া হয়নি। 

সংবাদ প্রকাশের পর মিনুর বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনা আইনজীবী মো. শিশির মনির বলেন, মিনুর মৃত্যুর বিষয়টি পর্যবেক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সংগ্রহের চেষ্টা করছি। অতিদ্রুত বিষয়টি উচ্চ আদালতের নজরে আনা হবে। মিনুর বিষয়টি যাতে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সুরাহা হয়, আমি তা আদালতের কাছে উপস্থাপন করবো।  

মিনুর মৃত্যুর ঘটনায় সড়ক দুর্ঘটনা আইনে দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. খোরশেদ আলম বলেন, সড়কের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সিনিয়র স্যারদেরও দেখানো হচ্ছে। গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনাটি রাতের বেলায় হওয়ায় একটু সময় লাগছে। 

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status