ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ৬ মে ২০২৬ ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
১ ফ্যান ১ এনার্জি লাইট মোবাইল চার্জার, বিল ৭৯ হাজার টাকা!
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Wednesday, 26 May, 2021, 8:50 PM

১ ফ্যান ১ এনার্জি লাইট মোবাইল চার্জার, বিল ৭৯ হাজার টাকা!

১ ফ্যান ১ এনার্জি লাইট মোবাইল চার্জার, বিল ৭৯ হাজার টাকা!

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-০২ ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিসের আওতাধীন পল্লী বিদ্যুতের এক গ্রাহকের ব্যবহৃত মিটারে ১২০ টাকার বিপরীতে এক মাসে ৭৮ হাজার ৬৭৯ টাকা বিল এসেছে।


ভুতুড়ে এই বিলে দিশাহারা ওই অসহায় পরিবারটি বিল পরিশোধে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের চাপে বাড়ি ছাড়ার উপক্রম। বিষয়টি জানাতে গেলে গ্রাহকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন।


ঘটনাটি উপজেলার ১৬নং রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ গ্রামের। ওই গ্রামের বেপারীবাড়ির ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করা মাঈনুদ্দিনের স্ত্রী রুমা আক্তার মিটারের গ্রাহক (হিসাব নং-০৩-৫৩৬-১১৭৮)।


সরেজমিন গেলে ভুক্তভোগী গ্রাহক রুমা আক্তার জানান, গত ৫ বছর যাবত ওই মিটারটি ব্যবহার করে আসছেন। তিনি মিটারটিতে একটি ফ্যান ও একটি এনার্জি লাইট ও মোবাইল চার্জার ব্যবহার করে আসছেন। প্রতি মাসে ১০০-১৫০ টাকার মধ্যে বিলের সীমাবদ্ধতা ছিল।


বিদ্যুতের পূর্বের বিলের কপি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে প্রাপ্ত তথ্যে নিশ্চিত হওয়া গেছে রুমা আক্তার নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছেন। কিন্তু হঠাৎ করে চলতি বছরের মার্চ মাসে তিনি মোবাইলের মাধ্যমে জানতে পারেন মার্চ মাসে তার বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৭৮ হাজার ৬৮৯ টাকা।


এমন তথ্য পেয়ে তিনি ছুটে যান ফরিদগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসে। সেখানে গিয়ে কোনো সমাধান মেলেনি বরং কর্তৃপক্ষের দুর্ব্যবহারে দিশাহারা বলে জানিয়েছেন রুমা আক্তার।


এদিকে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে রুমা আক্তারের ব্যবহৃত ঘরটিতে একটি ফ্যান ও একটি বাতি ছাড়া আর কোনো কিছুই চোখে পড়েনি। ওই মিটারটি দিয়ে অন্য কিছু চার্জ দেয়া কিংবা ব্যবহার করা কিংবা শর্টসার্কিটের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।


এ বিষয়ে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-০২ এর ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিসে কর্মরত ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মুহাম্মদ নূরল হোসাইন জানান, গ্রাহক বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলে তো আর বিল আসে না। আমি খোঁজ নিয়েছি ওখানে শর্টসার্কিট হয়েছে। আমি বলে দিয়েছি গ্রাহককে বিলগুলো দিয়ে দেওয়ার জন্য।


শর্টসার্কিট হয়ে শুধু বিদ্যুৎ বিল এসেছে- কোনো অগ্নিকাণ্ড, মেইন সুইচ কিংবা মিটারের কোনো ক্ষতি হয়নি কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি আর কথা বলতে চাই না। আপনারা ইউএনওর সঙ্গে যোগাযোগ করেন, ইউএনও বিষয়টি জানেন।


এ বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরির সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এমন কোনো ঘটনা আমার জানা নেই। এ বিষয়ে তিনি ডিজিএমের কাছে গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে ডিজিএম গ্রহণযোগ্য কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status