নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, আমি আমার বড় ভাইয়ের সাথে কথা বলি না। অনেক চেষ্টা করেছে গত দুই মাসে। একদিনও কথা বলি নাই। আমি কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবো না। কোনো অপরাজনীতি অপরাধীর সাথে। দুই হাজার গুলি করেছে, মাথা নত করি নাই। প্রশ্নই উঠে না।
সোমবার (১২ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে বসুরহাট পৌরসভার আয়োজনে করোনা যোদ্ধাদের সম্মননা সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কাদের মির্জা বলেন, কেউ হাজার হাজার কোটি টাকা কামাবে আর কেউ টাকার অভাবে খেতে পারবে না। অনেকে আজকে দুই বেলা খেতে পারে না। এটা এ দেশে চলতে দেয়া যায় না। আমি বলবো সাহস করে সত্য কথা বলবো। এটা আজকে আপনাদের এখানে কঠিন ভাষায় বলে গেলাম।
তিনি বলেন, জেলা পর্যায়ের অফিসারগুলো দেখেন। সব বিদেশি কাপড়-চোপড়। এতো টাকা কোথ থেকে পায়, কোথ থেকে পায় শালারা। দেশের মানুষের মাথা বিক্রি করে, লুট করে, এরা দেশকে খাচ্ছে।
এ সময় বসুরহাট মেয়র বলেন, মন্ত্রীর সহকারী জুয়েল। এদের কোনো পদবীও নেই। এটা লাগাইছে, এটা লাগাই ভিজিটিং কার্ড কতোগুলো নিয়ে এমপি, মন্ত্রী, সচিবসহ বিভিন্ন জায়গায় তদবির করে কোটি কোটি টাকা কামাইছে। আমেরিকার নিউইয়র্কের সবচেয়ে অভিজাত এলাকা লং অ্যাইলাইন্ডে সে জায়গা কিনে বাড়ি করছে। সে হলো মন্ত্রী মহোদয়ের চামছা, লগে লগে ঘুরে। দেখেন অবস্থা দাখেন। এগুলো দেখে আমার বিবেক নাড়া দিছে। সত্য কথা হলো এটা।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সেলিম, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা মেকিকেল অফিসার ডা.মাকসুদাহ সুলতানা সুরভি, ডা.শওকত আল ইমরান ইমরোজ, ডা.সামিয়া কামাল প্রমূখ।