চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীরা পছন্দের প্রতীক বরাদ্দ না পাওয়ায় বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। অবেশেষে লটারি মাধ্যমে তাদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সাধারণ নির্বাচনে ৭ জন মেয়র, ১৩ জন সংরক্ষিত ও ৬৪ জন সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে প্রার্থীদের অনুকূলে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কাউন্সিল প্রার্থীরা পছন্দের প্রতীক না পেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানান। পরে লটারি করে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা পৌনে ১টা পর্যন্ত প্রতীক বরাদ্দ চলে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা নির্বাচন অফিসার ও রির্টানিং অফিসার তারেক আহমেদ শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে জানান, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভায় মেয়র পদে ৭জন প্রার্থীর অনুকূলে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। তারা হলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত জাহাঙ্গীর আলম (নৌকা), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত সিরাজুল ইসলাম মনি (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত তুষার ইমরান (হাত পাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী তানভীর আহমেদ মাসরেকী (কম্পিউটার), মজিবুল হক মালিক (মোবাইল ফোন), মনিবুল হাসান (নারিকেল গাছ) ও সৈয়দ ফারুক উদ্দিন (জগ)।
৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের মাঝে লটারির মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। বেশির ভাগ কাউন্সিলর তাদের প্রতীক হিসাবে চান ডালিম ও গাজর। এ সময় অনেক প্রার্থী একই প্রতীক চাওয়ায় তাদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে লটারির মাধ্যমে তার সমাধান করা হয় বলে জানান তিনি।
চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী কাররুজ্জামান চাঁদ বলেন, আমি ডালিম মার্কা চাইলে একাধিক প্রার্থী সেটি চান। তখন কিছুটা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। আমি লটারির মাধ্যমে টেবিল ল্যাম্প প্রতীক পেয়েছি।
১নং ওয়ার্ডের প্রার্থী আলমগীর হাসান বলেন, আমি প্রতীক হিসাবে গাজর চেয়েছিলাম কিন্তু পাইনি। পরে লটারির মাধ্যমে ব্রিজ প্রতীক পেয়েছি। যাক প্রতীকটা কোন বিষয় নয়। নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
আগামী ২৮ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ৬৭ হাজার ৮০৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।