|
আশাশুনিতে বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রসার মুহতামিমের বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচারের অভিযোগ
ইয়ারব হোসেন, সাতক্ষীরা
|
![]() আশাশুনিতে বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রসার মুহতামিমের বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচারের অভিযোগ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে আশাশুনির বামনডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে মো. সালিম উদ্দিন এই অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি একজন কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক এবং ২০১২ সালের শেষের দিকে বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক হিসাবে যোগদান করি। সেসময় মাদ্রাসায় মাও: আমজাদ হোসেন নামের একজন শিক্ষক থাকলেও আমি যোগদানের কিছুদিন পর তিনি চলে যাওয়ায় আমি মুহতামিম হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করি। তখন শিক্ষার্থী ছিল মাত্র ৬ থেকে ৭জন। প্রতিষ্ঠানটি ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও শিক্ষার্থী সংকটে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছিল। আমি যোগদানের পর থেকে রাতদিন কঠোর পরিশ্রম করে লেখাপড়ার মান উন্নয়নের চেষ্টা করি। সেময় মাদ্রাসাটা ছিল একচালা টিনসেডের চালযুক্ত। স্থানীয় বিত্তশালী ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিদের কাছ থেকে সহযোগিতা নিয়ে দুইতলা মসজিদসহ অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন করা সম্ভব হয়েছে। মা. সালিম উদ্দিন বলেন, পড়াশোনার মান বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে মাদ্রসায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে সাড়ে চারশ’ ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছে মোট ২৯ জন। পড়াশোনার মান বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিভাবক এবং এলাকাবাসী খুবই সন্তুষ্ট ছিলো। ফলে প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে উপজেলার শ্রেষ্ঠ কওমি প্রতিষ্ঠান হিসাবে জেলায় জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু স্থানীয় একটি কুচক্রী মহল আমার সুখ্যাতিতে ক্ষুদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করে। তারা আমাদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করতে উঠপড়ে লাগে। তবে কোনভাবেই তারা আমাকে এবং আমাদের প্রতিষ্ঠানকে দমাতে পারেনি। একপর্যায়ে কিছু ব্যক্তির কথায় প্রভাবিত হয়ে জমিদাতা তমেজউদ্দিন গাজী সাম্প্রতিক সময়ে আমার উপর মানসিকভাবে চাপ প্রয়োগ করে আসছিল। তিনি আরো বলেন, জমিদাতার নিদের্শে মাদ্রসায় যাওয়া বন্ধ করেছি। অথচ ২৯ এপ্রিল সাতক্ষীরার স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইনে আমার বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার করে একটি সংবাদ প্রকাশ করেছে। যেটার কোন ভিত্তি নেই। মাদ্রাসার ফোন অফিসিয়াল হিসাবে ব্যবহার করা হত। কিন্তু তাই বলে আমার ব্যক্তিগত নাম্বার আমি ব্যবহার করতে পারবো না এটা কিভাবে হতে পারে? অফিসিয়াল কাজে মাদ্রাসার নাম্বার ব্যবহার করেছি। তিনি বলেন, কওমি মাদ্রাসার নিয়ম মেনেই দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসাটি পরিচালিত হয়ে এসেছে। আয় এবং ব্যায়ের হিসাব প্রতি মাসেই করা হয়। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দায়িত্ব প্রাপ্ত মাও: ইলিয়াস, আলহাজ্ব ইয়াহিয়া আলম এবং রফিকুল ঢালী প্রতি মাসেই হিসাব নিতেন এবং হিসাব খাতায় তাদের স্বাক্ষরও আছে। তাহলে হিসাবের গড়মিল কিভাবে হল বা আত্মসাত হল। প্রকৃতপক্ষে আমার সুনাম ও সুখ্যাতি নষ্ট করতে একটি কুচক্রী মহলের ইন্ধনেই এধরনের মিথ্যাচার করা হয়েছে। এতে আমার মানহানি হওয়ার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তিরও ক্ষতিগ্রস্থ হবে। ওই মহলটি মূলত প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংস করার জন্যই গভীর চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। তিনি পত্রিকায় প্রকাশিত উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মিথ্যাচার থেকে সংশ্লিষ্ঠদের বিরত থাকার আহ্বান জানান। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
বাগমারায় অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে অভিযান, ২টি এস্কেভেটর অকেজো
প্রবাসীদের জন্য দেশে প্রথম অনলাইন গণশুনানি: চট্টগ্রামের ডিসি জাহিদের মাইলফলক উদ্যোগ
দর্শনা প্রেসক্লাবে ঢুকে সাংবাদিককে মারধরে প্রতিবাদে দামুড়হুদা প্রেসক্লাবে প্রতিবাদ সভা
বেইলি ব্রিজের পাটাতন ধসে ট্রাক আটকা, বিচ্ছিন্ন দীঘিনালা–মাইনি সড়ক যোগাযোগ
