ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ৫ জুন ২০২৬ ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
গুড়িয়ে দেওয়া হল সাগর পাড়ের অবৈধ স্থাপনা,পুলিশ-ব্যবসায়ী সংঘর্ষ : আটক ৮
দেলোয়ার হোসাইন টিসু
প্রকাশ: Saturday, 17 October, 2020, 7:32 PM

গুড়িয়ে দেওয়া হল সাগর পাড়ের অবৈধ স্থাপনা,পুলিশ-ব্যবসায়ী সংঘর্ষ : আটক ৮

গুড়িয়ে দেওয়া হল সাগর পাড়ের অবৈধ স্থাপনা,পুলিশ-ব্যবসায়ী সংঘর্ষ : আটক ৮

ব্যবসায়ীদের প্রতিবন্ধকতা, প্রতিরোধের মুখে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী রুদ্ধশ্বাস অভিযানে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো সাগরপাড়ের ৫২টি অবৈধ স্থাপনা।যেখানে রয়েছে রেস্তোরাঁ, শুটকি মাছের দোকান, ট্যুরিজম অফিস, ফার্মেসি ইত্যাদির দোকান।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়।বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে অভিযানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব আবু জাফর রাশেদ।

তার আগে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির কক্সবাজার জেলা সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মুকুলসহ ৮ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও কক্সবাজার পৌরসভা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে।

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে গিয়ে ব্যবসায়ী ও পুলিশের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় যমুনা টিভির কক্সবাজার প্রতিনিধি নুরুল করিম রাসেল, সাংবাদিক ইকবাল বাহার চৌধুরীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।

এতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) পংকজ বড়ুয়া, কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুনির উল গীয়াস, যমুনা টিভির কক্সবাজার প্রতিনিধি নুরুল করিম রাসেল, সাংবাদিক ইকবাল বাহার চৌধুরীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। ব্যবসায়ীদের নিরাপদে সরিয়ে যেতে মাইকিং করে বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে এস্কেভেটর দিকে যখন উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়, ঠিক তখনই ব্যবসায়ীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কাফন পরে বিক্ষোভ করে তারা। সুগন্ধা সড়কের পূর্ব প্রান্ত থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়।

ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ থামাতে ফাঁকা গুলি, রাবারবুলেট ও টিয়ারশেল ছুঁড়ে পুলিশ।প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলমান ছিল।পুলিশের শক্ত অবস্থান ও প্রতিরোধের মুখে বিক্ষোভকারী দোকানদাররা পিছু হটে।অভিযানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) পংকজ বড়ুয়া, কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুনির উল গীয়াসের নেতৃত্বাধীন পুলিশ সদস্যরা অংশ গ্রহণ করে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষে কক্সবাজার সদর সহকারি কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ শাহরিয়ার মোক্তার ছিলেন।উচ্ছেদ কার্যক্রমকে ঘিরে প্রায় আধাঘন্টা ধরে চলমান ব্যবসায়ী ও পুলিশের মুখোমুখি সংঘর্ষ থামিয়েছেন পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান।তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষকে শান্ত করেন। তারপর পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণ আসে।


সম্পাদনা: খালেদ সুজন

অভিযানকালে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনও সক্রিয় ছিল।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status