প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশটির একটি পেরু। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে নয় শতাধিক নারীর হদিস মিলছে না। এদের দুই-তৃতীয়াংশই কিশোরী-তরুণী।
ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ এইসব নারীরা আর বেঁচে নেই। ১৬ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এই নারীদের হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাগুলো ঘটেছে বলে দেশটির ন্যায়পাল অফিসের প্রধান নারী অধিকারবিষয়ক কর্মকর্তা ইলিয়ানা রেভোলার জানিয়েছেন।
তিন মাসের মধ্যে বিপুলসংখ্যক কিশোরী-তরুণী ও প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দেশটিতে বেশ উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
দেশটির মানবাধিকারকর্মীরা এই নারীদের ভাগ্যে কি ঘটেছে তা জানতে চাইছেন। এমনিতেই লাতিন আমেরিকার দেশটি থেকে বিপুলসংখ্যক নারী প্রতিবছর পাচার হয়ে যায়। আগে গড়ে দিনে পাঁচজন নারী নিখোঁজ হলেও লকডাউনের মধ্যে তা বেড়ে আটজন হয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে সরকারিভাবে তদন্ত শুরু হলেও এখনো এ রহস্যের সমাধান করতে পারেননি তারা।
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে পেরু অন্যতম। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৪ লাখ ৬৮৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ১৮ হাজার ৮১৬ জন ইতোমধ্যে মারা গেছেন। ২ লাখ ৮০হাজার ৪৪ জন এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠলেও চিকিৎসাধীন রয়েছেন লক্ষাধিক রোগী।