ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
কাতারে মারাত্মক বর্ণবৈষম্যের শিকার দ. এশীয় শ্রমিকরা: জাতিসংঘ
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 16 July, 2020, 9:20 AM

কাতারে মারাত্মক বর্ণবৈষম্যের শিকার দ. এশীয় শ্রমিকরা: জাতিসংঘ

কাতারে মারাত্মক বর্ণবৈষম্যের শিকার দ. এশীয় শ্রমিকরা: জাতিসংঘ

কাতারে কর্মরত অভিবাসী শ্রমিকরা মারাত্মক বর্ণবৈষম্যের শিকার হচ্ছেন; বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া এবং পূর্ব ও পশ্চিম আফ্রিকান শ্রমিকরাই এতে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী। অভিবাসী শ্রমিকদের সঙ্গে কাতারের এমন আচরণে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ।

সম্প্রতি বর্ণবৈষম্য বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত টেন্ডায়ি আচিউমি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন। চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হবে।

জাতিসংঘ দূতের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারে জাতিগত উৎসভিত্তিক বর্ণবৈষম্য বিদ্যমান। সেখানে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও আরব দেশগুলোর নাগরিকরা দক্ষিণ এশিয়া ও উপ-সাহারান আফ্রিকান নাগরিকদের তুলনায় বেশি সুরক্ষিত মানবাধিকার সুবিধা ভোগ করেন।

কাতারে প্রায় ২০ লাখ অভিবাসী শ্রমিক কাজ করছেন। এদের মধ্যে বেশিরভাগই দক্ষিণ এশিয়া এবং পূর্ব ও পশ্চিম আফ্রিকার নাগরিক, যাদের মজুরি অত্যন্ত কম। কাতারে বিশ্বকাপ স্টেডিয়াম নির্মাণে কাজ করছেন অন্তত ১৮ হাজার ৫০০ শ্রমিক। এর বাইরে আরও হাজার হাজার শ্রমিক বিশ্বকাপ সম্পর্কিত নির্মাণ, সেবা ও নিরাপত্তা প্রকল্পগুলোতে নিয়োজিত রয়েছেন।

জাতিসংঘের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিফা কাতারকে বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ দেয়ার ১০ বছর পরেও সেখানে নিম্নমজুরির শ্রমিকরা এখনও মারাত্মক বর্ণবৈষম্য ও শোষণের শিকার হচ্ছেন। মজুরি না দেয়া, অনিরাপদ কাজের শর্ত, পুলিশি হয়রানি, অনেক সরকারি জায়গায় প্রবেশে বাধার মতো সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।

টেন্ডায়ি আচিউমি তার প্রতিবেদনে বলেন, ‘‘যেসব শ্রমিক নিপীড়ক নিয়োগকর্তার কাছ থেকে পালিয়ে যান, তাদের সাধারণত ‘পলাতক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই জাতীয় শব্দের ব্যবহার কাতারে নিম্নআয়ের বিপুল সংখ্যক শ্রমিকের বাস্তব দুর্ভোগের প্রতিই ইঙ্গিত করে।’’

কাতারে চাকরির ক্ষেত্রে চরম বিতর্কিত ‘কাফালা’ ব্যবস্থা এখনও বিদ্যমান। এ নীতির কারণে শ্রমিকরা তাদের নিয়োগকর্তার অনুমতি ছাড়া চাকরি বদলাতে পারেন না। ফলে নিয়োগকর্তা ও শ্রমিকের মধ্যে ক্ষমতার ব্যাপক অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে। অনেক শ্রমিকই শ্রম আইনভঙ্গের জন্য সুবিচার চাইতে ভয় পান।

গত অক্টোবরে এ ধরনের বর্ণবৈষম্য বিলুপ্ত করে নতুন নীতি চালুর ঘোষণা দিয়েছিল কাতার কর্তৃপক্ষ। তবে তার বাস্তবায়ন হয়নি আজও। এ নিয়েও গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

সম্পাদনা: মোঃ রাসেল আহমেদ

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status