ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ৭ জুন ২০২৬ ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ভালোবাসা ও বসন্তের দিনে জনারণ্যে বইমেলা
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Friday, 14 February, 2020, 10:29 PM

ভালোবাসা ও বসন্তের দিনে জনারণ্যে বইমেলা

ভালোবাসা ও বসন্তের দিনে জনারণ্যে বইমেলা

একই দিনে ছুটি, বসন্ত আর ভ্যালেন্টাইন- বাংলা পঞ্জিকার নিকট ইতিহাসে এমন ঘটনা শেষ কবে ঘটেছিল তা মনে করতে পারলেন না বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজীও। তবে দিনটি যে গুরুত্বপূর্ণ সেটি মানতে মোটেও দ্বিধা করেননি এই কবি।

শুক্রবার ডেইলি বাংলাদেশকে তিনি বলেন, নাগরিক জীবনে এই তিনটি দিনই গুরুত্বপূর্ণ। বসন্ত উদযাপন হলো বাঙালি ঐতিহ্যের অংশ। এখন আবার হাল আমলের ফ্যাশন হয়ে গেছে ভ্যালেন্টাইন। এই দুই গুরুত্বপূর্ণ দিনের সম্মেলনে এসে মিলেছে সাপ্তাহিক ছুটির দিনও। ফলে রাজধানী শহরে দেখা যায় উৎসবমুখর মানুষের স্রোত। যার বেশিরভাগ অংশের চাপই পড়েছে বইমেলায়।

বসন্তের প্রথম দিন ও ভালোবাসা দিবসের সকালে বইমেলার গেট খুলতে না খুলতেই তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতিসহ নানা বয়সীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আর বাংলা একাডেমির উঠান।

এছাড়া শিশুদের কলরবে মুখর ছিল বইমেলা। বিকেল থেকে সেটি পরিণত হয় জনারণ্যে। স্রোতের মতো মেলায় ঢুকতে থাকে মানুষ। এতে করে শাহবাগ থেকে দোয়েল চত্বর পর্যন্ত রাস্তাটিতে যানজটের সৃষ্টি হয়। যাদের বেশিরভাগই ছিল প্রেমিকযুগল।

মেলাতে আসা তানিয়া মোর্শেদ বলেন, আজকের দিনটি প্রেম আর উৎসবে মাতোয়ারা হওয়ার। এমন দিনে বইমেলায় আসতে পারায় আনন্দ যেনো দ্বিগুণ হয়েছে। বই কিনেছি, খোঁপায় ফুল গুঁজে প্রিয় মানুষের হাত ধরে ঘুরে বেড়িয়েছি সারাদিন। দিনটি সারাজীবন স্মৃতি হয়ে থাকবে।

অন্যপ্রকাশের প্রকাশক মাজহারুল ইসলাম বলেন, দুটি আলাদা উৎসবের দিন হলে আমাদের জন্য ভাল হতো, তারপরও বলবো আজকের দিনটি চমৎকার কেটেছে। এত দর্শনার্থী পাঠক এর আগে বইমেলা দেখা যায়নি। ফলে বিক্রিও হয়েছে বেশ। প্রকাশক হিসেবে আমি চাইবো, প্রতিদিন যেন এমন ভিড় হয় বইমেলায়।

এদিকে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী ভিড়কে স্বাগত জানালেও, এই ভিড় যেন সেলফি উৎসব না হয়ে যায় সেদিকেও সতর্ক থাকতে বলেছেন। বই পড়ার প্রতি জোর দিয়ে তিনি বলেন, বইয়ের চেয়ে ভালো কোনো বন্ধু নেই। বইয়ের বন্ধুত্বকে স্বাগত জানাতে হবে। বইয়ের সঙ্গে ছবি তুললে জ্ঞান চর্চা করা হবে না।

সকালে বইমেলায় ছিল শিশু-কিশোরদের আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আসর। বাংলা একাডেমির মূল মঞ্চে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত নির্বাচনের উদ্বোধন করেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত আশরাফুল আলম।

এবার ‘ক’ শাখার ১০ বছর বয়সী এবং ‘খ’ শাখার সর্বোচ্চ ১৫ বছর বয়সীদের নিয়ে শিশু-কিশোর আবৃত্তি প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত নির্বাচনের আহ্বায়ক ছিলেন শাহাদাত হোসেন। এর আগে দুই গ্রুপ থেকে ১০ জন করে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছিল। চূড়ান্ত প্রতিযোগী হিসেবে দুই গ্রুপ থেকে তিনজন করে নির্বাচন করা হবে।

বিচারকমণ্ডলীর দায়িত্বে ছিলেন আবৃত্তি শিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, ড. রুপা চক্রবর্তী, বেলায়েত হোসেন। আর আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহাদাত হোসেন নিপু।

আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status