ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ২০ জুন ২০২৬ ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ছেলের খুনে সম্মতি ছিল মায়ের!
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Sunday, 23 June, 2019, 6:14 PM

ছেলের খুনে সম্মতি ছিল মায়ের!

ছেলের খুনে সম্মতি ছিল মায়ের!

কিশোর শুভম রায়কে জীবিত অবস্থায় চলন্ত ট্রেনের সামনে ঠেলে ফেলা হয়েছিল, না কি আগেই খুন করে পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে ওই কাণ্ড ঘটানো হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুলিশ এ খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শুভমের মা কাকলি ও তার বন্ধু রণজিৎ ভড়কে গ্রেফতার করেছে।




পুলিশের দাবি, রণজিৎ জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন যে, শুভমকে খুনের পরিকল্পনার কথা কাকলি নিজেও জানত। ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রণজিতের সঙ্গে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল শুভম। রণজিৎকে কাকু বলে ডাকত শুভম।

শুক্রবার সকালে কাঁকুড়গাছি রেললাইনের ধার থেকে ওই কিশোরের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। তদন্তে নেমে হাওড়ার চ্যাটার্জিহাট থানার পুলিশ খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শুভমের মা কাকলি ও তার বন্ধু কাঁকুড়গাছির বাসিন্দা রণজিৎ ভড়কে গ্রেফতার করে।

দু’জনকে শনিবার হাওড়া আদালতে তোলা হয়। তদন্তে প্রয়োজনীয় আরও কিছু তথ্য পেতে ওই দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তারা সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুভম নিখোঁজ হয়। কিন্তু মা কাকলি কেন নিরুত্তাপ ছিলেন তা প্রথম থেকেই সন্দেহ হয়েছিল তদন্তকারীদের। এমনকি বারবার জিজ্ঞাসাবাদে কাকলি দাবি করেছিল, ওই দিন রণজিতের সঙ্গে তার কোনও কথাই হয়নি।

কিন্তু কাকলির মোবাইলের কললিস্ট পরীক্ষা করে তদন্তকারীরা দেখেন, ঘটনার দিন দুপুর থেকে শুরু করে রাত ২টা পর্যন্ত বারবার দীর্ঘ সময় ধরে রণজিতের সঙ্গে কথা হয়েছে শুভমের মায়ের। এমনকি রাতে যে সময়ে কাকলি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে যায়, তখনও দু’জনের মধ্যে ফোনে কথা হয়।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে রণজিৎ দাবি করেছেন, শুভম তাকে কাকা বলে ডাকতেন। কিন্তু রণজিতের সঙ্গে কাকলির একসঙ্গে থাকা নিয়ে আপত্তি ছিল ১২ বছরের শুভমের। আর তাই ‘পথের কাঁটা’ সরাতেই ওই কিশোরকে প্রাণে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আর তার পুরোটাই কাকলি জানত বলে দাবি করেছে রণজিৎ।

পুলিশ, কাঁকুড়গাছি রেললাইনটিই খুনের জন্য নিরাপদ মনে করেছিল রণজিৎ-কাকলি। কারণ হাওড়ার প্রায় সব জায়গাই চেনা ছিল শুভমের। তাই কাকলি অসুস্থ হয়ে কলকাতার হাসপাতালে ভর্তি, এই কথা বলে হাওড়া থেকে শুভমকে নিয়ে গিয়েছিল রণজিৎ।

প্রথমে নিজের বাড়িতে কিছুক্ষণ রণজিৎ রেখেছিল শুভমকে। রাত ৮টার দিকে হাসপাতাল যাবে বলে ওই কিশোরকে নিয়ে বাড়ি থেকে বার হয়ে রণজিৎ রেললাইনের ধারে পৌঁছেছিল। এর পরে রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে চলন্ত ট্রেনের সামনে শুভমকে ঠেলে ফেলে দেন তিনি।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status