|
পূর্ববিরোধের জেরে পিটিয়ে জখম ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা
আলমগীর কবির,আলফাডাঙ্গা
|
![]() পূর্ববিরোধের জেরে পিটিয়ে জখম ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা এজাহারনামীয় প্রধান আসামি বুড়াইচ গ্রামের মো: রহিম শেখ এর ছেলে মো. সবুজ শেখ (৩০) ও মো: সজীব শেখ(২৮) সহ ৭ জন ও অজ্ঞাত আরোও ২/৩ জন। আসামিরা সকলেই আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাদী মো. হোসেন মৃধার সঙ্গে বিবাদীদের রাজনৈতিক বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ৪ অক্টোবর সকালে বাদী ও সাক্ষীরা আলফাডাঙ্গা বাজার থেকে ভ্যানে করে বুড়াইচ বটতলা পাকা রাস্তায় পৌঁছালে আসামিরা বাঁশের লাঠি, লোহার রড, হকিস্টিক, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাঁদের পথরোধ করেন। পরে বাদীকে ভ্যান থেকে নামিয়ে অশ্লীলম ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। একপর্যায়ে ১ নম্বর আসামি মো. সবুজ শেখ লোহার হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে বাদীর একটি দাঁত ভেঙে ফেলেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন। হামলায় ২ নম্বর আসামি মো. সজিব শেখ এসএস পাইপ দিয়ে আঘাত করেন এবং বাদীর পকেটে থাকা নগদ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার একপর্যায়ে আসামিরা বাদীকে জোর করে পার্শ্ববর্তী জমিদার বাড়িতে নিয়ে যান এবং আসামি রিফাত শেখ তাঁকে একটি পরিত্যক্ত ঘরের ভেতরে আটকে রাখেন। পরবর্তীতে আশপাশের লোকজন ও সাক্ষীরা এগিয়ে এলে আসামিরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তখন স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় আহত মো. হোসেন মৃধাকে উদ্ধার করে দ্রুত আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতাল থেকেই তাঁর ভাতিজা মুজাহিদ মৃধার মাধ্যমে লিখিত এজাহারটি থানায় দাখিল করেন। এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: সোহেল সারোয়ার জানান, এজাহারটি আমলে নিয়ে মামলা রুজু করা হয়েছে। যাহার মামলা নং-৪, তাং ৪/১০/২০২৬ ইং অভিযুক্তদের কে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে প্রধান মূল অভিযুক্ত সবুজ শেখ এর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায় নি। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
