|
মার্কিন অর্থনৈতিক চাপের জবাবে ইরানের পাল্টা পদক্ষেপ কী হতে পারে?
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() মার্কিন অর্থনৈতিক চাপের জবাবে ইরানের পাল্টা পদক্ষেপ কী হতে পারে? ইরানের সাবেক রেভল্যুশনারি গার্ডস প্রধান মোহসেন রেজাই বলেছেন, অর্থনৈতিক যুদ্ধ চলতে থাকলে হরমুজ প্রণালি বা পারস্য উপসাগর দিয়ে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেওয়া হবে না। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহনপথ। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে যেত। এরই মধ্যে ইরানের হামলা ও হুমকির কারণে এই পথে জাহাজ চলাচল অনেক কমে গেছে। ইরান চাইলে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাস স্থাপনাতেও হামলা চালাতে পারে। ইয়েমেনে ইরানের মিত্র হুতিদের মাধ্যমে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলেও চাপ বাড়ানো হতে পারে। এসব পদক্ষেপ নেওয়া হলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ আরও কমে যেতে পারে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞার হুমকির পরও সোমবার তেলের দাম কমেছে। কারণ, নতুন নিষেধাজ্ঞা এখনই পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না। পাশাপাশি বড় তেল ক্রেতা চীন এখনো ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য পুরোপুরি বন্ধ করেনি। সাম্প্রতিক দাম বৃদ্ধির পর অনেক বিনিয়োগকারী মুনাফা তুলে নেওয়ায়ও দাম কমেছে। তবে ইরান যদি নিষেধাজ্ঞার জবাবে হরমুজে জাহাজ চলাচল আরও বন্ধ করে দেয় বা তেল সরবরাহে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে তেলের দাম আবার দ্রুত বাড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পদক্ষেপ চীন ও রাশিয়া মেনে নেয়নি বলেও দাবি করেছে তেহরান। বিশেষ করে ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা চীনকে নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। চীনা ব্যাংকের ওপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞা দিলে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সম্পর্কেও নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে। এদিকে প্রায় ছয় মাস ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতেরও এখনো কূটনৈতিক সমাধান হয়নি। সংঘাতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দেশটির কাছে এখনো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারের সক্ষমতা রয়েছে। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা এবং হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার আশঙ্কা রয়ে গেছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
