|
মেসির কোলে থাকা এই শিশুটি ফ্রান্সকে হারিয়ে এখন বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() মেসির কোলে থাকা এই শিশুটি ফ্রান্সকে হারিয়ে এখন বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে ছবিটি তোলা হয়েছিল ইউনিসেফ এবং কাতালান সংবাদপত্র দিয়ারিও স্পোর্ট এর যৌথ উদ্যোগে একটি চ্যারিটি ক্যালেন্ডারের জন্য। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কাতালুনিয়ার মাতারো এলাকার একটি পরিবার তাদের পাঁচ মাস বয়সী সন্তানকে মেসির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পায়। সেই শিশুই ছিলেন লামিন ইয়ামাল। ছবির আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ট পরে জানান, সে সময় মাত্র ২০ বছর বয়সী মেসি খুবই লাজুক ছিলেন এবং পানিভর্তি ছোট্ট প্লাস্টিকের টাবে থাকা শিশুটিকে কীভাবে কোলে নেবেন, তা নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় পড়েছিলেন। পরে ইয়ামালের মা শেইলা এবানা তাকে সহায়তা করেন এবং সেখান থেকেই জন্ম নেয় ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় এই ছবি। জানা যায়, ইয়ামালের বাবা প্রায় ১৭ বছর ছবিগুলো প্রকাশ করেননি। কারণ, ছোটবেলা থেকেই ছেলের ওপর মেসির সঙ্গে তুলনার অতিরিক্ত মানসিক চাপ তৈরি হোক, তা তিনি চাননি। অবশেষে ২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালে ছবিগুলো প্রকাশ্যে এলে মুহূর্তেই তা বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ছবিটি ঘিরে নানা মজার মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে রসিকতা করে বলেন, মেসি যেন নিজের অজান্তেই সেই গোসলের পানির মাধ্যমে নিজের ফুটবল জাদুর কিছুটা ছোট্ট ইয়ামালের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। যদিও এটি নিছক ভক্তদের কল্পনা ও হাস্যরসের অংশ, বাস্তবে এর কোনো ভিত্তি নেই। উল্লেখ্য, লামিন ইয়ামাল ইতোমধ্যেই স্পেন জাতীয় দলের হয়ে ইউরো ২০২৪ জয় করেছেন এবং অল্প বয়সেই বিশ্বের অন্যতম প্রতিভাবান ফুটবলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অন্যদিকে, লিওনেল মেসি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপসহ অসংখ্য শিরোপা জিতেছেন। ১৭ বছর আগের সেই ছবিটি আজ যেন দুই প্রজন্মের দুই ফুটবল নক্ষত্রকে একই ফ্রেমে বেঁধে রাখা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
