|
মাথা ঘোরা, পেটে ব্যথা ও বমির উপসর্গ; কারণ নিয়ে নীরব কর্তৃপক্ষ, তদন্তের দাবি শ্রমিকদের
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() মাথা ঘোরা, পেটে ব্যথা ও বমির উপসর্গ; কারণ নিয়ে নীরব কর্তৃপক্ষ, তদন্তের দাবি শ্রমিকদের মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে কাজ শুরু করার কিছুক্ষণের মধ্যেই মাথা ঘোরা, পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাবসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হলে তাদের দ্রুত মাওনা চৌরাস্তার আল-হেরা হাসপাতালসহ আশপাশের বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। শ্রমিকদের দাবি, কারখানার পঞ্চম তলার সুইং বিভাগে প্রথমে কয়েকজন নারী শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। অল্প সময়ের মধ্যেই একই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয় আরও অনেকের মধ্যে। এতে পুরো কারখানায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কাজ বন্ধ রেখে অসুস্থদের হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে কারখানা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন শ্রমিকরা। তাদের আশঙ্কা, কর্মপরিবেশ, রাসায়নিকের ব্যবহার, বায়ু চলাচলের সমস্যা কিংবা অন্য কোনো কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে কয়েকজন সাংবাদিককে ছবি ও ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি হয়রানির অভিযোগও উঠেছে। এ ঘটনায় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কারখানার কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। অন্যদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও আনুষ্ঠানিকভাবে কতজন শ্রমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বা অসুস্থতার সম্ভাব্য কারণ কী—সে বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেয়নি। উল্লেখ্য, গত জুন মাসেও একই কারখানায় একযোগে বহু শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওই ঘটনায় শ্রমিক লিজা আক্তারের মৃত্যু হয়, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে শ্রমিকদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা কারখানার কর্মপরিবেশ, রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার, বায়ু চলাচল ব্যবস্থা, খাবার ও পানির মানসহ সম্ভাব্য সব বিষয় নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
