|
যাদুকাটায় বালু উত্তোলন: অভিযোগপত্রে আওয়ামী লীগ নেতারা আসামি, বিএনপি নেতা বাদ
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() যাদুকাটায় বালু উত্তোলন: অভিযোগপত্রে আওয়ামী লীগ নেতারা আসামি, বিএনপি নেতা বাদ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এক বিএনপি নেতাসহ ১০ জনকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম সোমবার সুনামগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার বিবরণে বলা হয়, গত বছরের ৬ থেকে ১১ অক্টোবর তাহিরপুর উপজেলার লাউড়েরগড় এলাকায় যাদুকাটা নদীর তীর কেটে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন করা হয়। নৌকা ও বাল্কহেড ব্যবহার করে হাজারো মানুষ নদী থেকে বালু নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ১৫ অক্টোবর পরিবেশ অধিদপ্তরের সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাইমিনুল হক বাদী হয়ে তাহিরপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে দেওয়া অভিযোগপত্রে তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বাদাঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আফতাব উদ্দিন, বাদাঘাট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি খাজা মাইনুদ্দিন, মোশাহিদ আলম ওরফে রানু মেম্বার, জামাল মিয়া, বিল্লাল মিয়া ও বোরহান উদ্দিনসহ ২৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। রানু মেম্বার এর আগেও যাদুকাটা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ঘটনায় কারাভোগ করেছেন। মামলার এজাহারে নাম থাকলেও ‘অপরাধে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না মেলার কথা জানিয়ে তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রাকাব উদ্দিনসহ দশ জনকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাইমিনুল হক বলেন, মামলায় বিএনপি বা আওয়ামী লীগ কে করে সেটা দেখা হয়নি, রাজনৈতিক পরিচয়ে কাউকে আসামি করা হয়নি। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, তাদের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। আর যাদের বিরুদ্ধে সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি, তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। যাদুকাটা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ জানিয়ে আসছেন পরিবেশবাদী সংগঠন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
