|
কপোতাক্ষ নদীতে পড়ে যাওয়া দীপঙ্করের লাশ উদ্ধার
শেখ সেকেন্দার আলী, পাইকগাছা
|
![]() কপোতাক্ষ নদীতে পড়ে যাওয়া দীপঙ্করের লাশ উদ্ধার এর আগে গত রবিবার (২১ জুন) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পাইকগাছা উপজেলার ৮নং রাডুলী ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া কপোতাক্ষ নদীর স্টিমার ঘাটে হাত-পা ধুতে গিয়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন তিনি। মৃত দীপঙ্কর রাডুলী পশ্চিম পাড়া গ্রামের দুলাল মন্ডলের ছেলে। রবিবার রাতে নদী উত্তাল এবং তীব্র স্রোত থাকায় স্থানীয়দের প্রাথমিক উদ্ধার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। সোমবার সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দল কপোতাক্ষ নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রলার নিয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। দুপুরের দিকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে বোরহানপুর ভরভোরিয়া সুইস গেট এলাকায় একটি মরদেহ ভাসতে দেখে ডুবুরি দল ও স্থানীয় জনতা। পরে নদী থেকে ভাসমান মরদেহটি উদ্ধার করা হলে স্বজনরা সেটি দীপঙ্করের বলে শনাক্ত করেন। পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দীপঙ্কর মন্ডল পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন হাটে-বাজারে মালামাল ওঠানো-নামানোর ঘাটশ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। প্রতিদিনের মতো রবিবারও দিনভর ২নং কপিলমুনি বাজারে কঠোর পরিশ্রম শেষে সন্ধ্যায় ক্লান্ত শরীরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। বাড়ির কাছাকাছি রাডুলী পশ্চিম পাড়া স্টিমার ঘাটে পৌঁছে ধুলোবালি মাখা শরীর ও হাত-পা ধোয়ার জন্য নদীর পাড়ে নামলে অসাবধানতাবশত পা পিছলে তীব্র স্রোতের মধ্যে পড়ে তলিয়ে যান। দীপঙ্করের মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাডুলী পশ্চিম পাড়াসহ গোটা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। কপোতাক্ষের পাড়ে অপেক্ষারত স্বজনদের আহাজারি ও কান্নায় বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম যুবককে হারিয়ে নির্বাক হয়ে পড়েছেন বৃদ্ধ মা-বাবা। স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
